parbattanews

রামুতে সড়ক দুর্ঘটনায় সন্তানসহ প্রাণ হারালেন আইনজীবী

কক্সবাজারের রামুতে যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু সন্তানসহ আইনজীবী প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন- ঢাকার উত্তরা এলাকার বাসিন্দা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইয়াছিন আহমেদ (৩৫) ও ইয়াছিন আহমদের শিশু সন্তান ইয়াজান (৩)।

রবিবার, ২৪ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫ টায় রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মূমূর্ষ অবস্থায় ৪ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন- ব্যারিস্টার ইয়াছিন আহমেদের স্ত্রী আলিফ লায়লা (৩০), মা (নাম পাওয়া যায়নি), বোন সুমাইয়া (২৪), প্রাইভেটকার চালক জসিম (৩০)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অভিমুখী মারছা পরিবহনের দ্রুতগতির বাসের সাথে কক্সবাজার অভিমুখী প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে আগুন ধরে যায়। এছাড়া মারছা পরিবহনের বাসটি সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পার্শ্ববর্তী গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে মারছা গাড়ির বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

দর্ঘটনার পর প্রাইভেট কারটিতে আগুন ধরে গেলে স্থানীয়রা পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ছড়ার পানি ঢেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গাড়িটি বিভিন্ন অংশ কেটে ৪ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর ১ জনের মৃত্যু হয়। নিহত ওই ব্যক্তি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ইয়াছিন আহমেদ। তিনি প্রাইভেট কারটিতে চালকের আসনে ছিলেন। গাড়িতে থাকা পরিচয়পত্র দেখে তার পরিচয় শনাক্ত করেন উদ্ধারকারীরা।

এ দিকে এ দুর্ঘটনার ২ ঘন্টা পর দুর্ঘটনা কবলিত প্রাইভেটকারের ভিতরে ধ্বঃসস্তুপে আটকে পড়া অবস্থায় শিশু ইয়াজান-এর মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় জনতা।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে রামু উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রামু থানা পুলিশ, রামু তুলাতলী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালান।
তুলাতুলী ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ওসি নাসির উদ্দিন এ দুর্ঘটনায় ব্যারিস্টার ইয়াছিন আহমেদ ও তার শিশু সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Exit mobile version