parbattanews

বান্দরবান সীমান্তে ল্যান্ড মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা তরুণ নিহত

KAREN STATE, MYANMAR - 2011/01/24: A soldier from the Karen National Liberation Army (KNLA) shows a bunch of home made landmines.. (Photo by Thierry Falise/LightRocket via Getty Images)

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে আবারো মাইন বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষ্ফোরণে ঘটনাস্থলে মারা গেছে মোহাম্মদ জাবের (১৫) নামে এক রোহিঙ্গা তরুণ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের (ওয়েষ্ট) আশ্রিত দুই রোহিঙ্গা সহোদর মিয়ানমার সীমান্তে মাছ ধরার জন্য যায়। মাছ ধরা শেষে পুনরায় একই এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় মাইন বিস্ফোরণে মারা যান মোহাম্মদ জাবের।

ঘটনার সময় অপর ভাই মোহাম্মদ হোসেন পরিবারকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানায়। পরে পরিবারের লোকজন কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে জাবেরের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আনার সময় বিজিবির টহল দলের সদস্যরা ক্ষতবিক্ষত লাশটি দেখতে পায়। এসময় অন্যান্যদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিজিবি ৩৪ ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার লে: কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, মাইন বিস্ফোরণে নিহত রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল নোম্যান্স ল্যান্ডে নয়, মিয়ানমার অংশে পড়েছে। নিহত রোহিঙ্গা কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সদস্য। কেন সীমান্তে গিয়েছিল বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ে

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন- মাইন বিস্ফোরণের পর লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজারে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনার জন্য থানায় ইউডি (অস্বাভাবিক মৃত্যু) বা অপমৃত্যু মামলা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭সালে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে কয়েক কিলোমিটারর জুড়ে স্থল মাইন পুঁতে রাখে মিয়ানমার।

এদিকে গত ১৯ অক্টোবর নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ২টি স্থল মাইন ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল দল। এর আগে সীমান্তের ৪৫-৪৬ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি জামছড়ি এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম গত ২৯ জুলাই এ স্থল মাইন ২টি উদ্ধার করেছিল।

Exit mobile version