২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নতুন সরকারের হয়ে প্রথম এবং দেশের ৫৫তম বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী।
তার আগে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ।
‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে এবারের বাজেটের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করেছে। বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, অভিযাত্রার শুরুতেই ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় আমরা নতুন ও তীব্রতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি।
কর ব্যবস্থার সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান আইসিটি রফতানিকারক দেশ হিসেবে তৈরির আশাবাদও ব্যক্ত করেন বাজেট বক্তৃতায়।
