সেন্টমার্টিনে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের বাড়িঘরের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্বীপের ছোট বড় হাজারখানেক গাছ ভেঙে পড়েছে। গাছ পড়ে আহত হয়েছে অন্তত ১১ নারী-পুরুষ। তাদের মধ্যে কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, রবিবার (১৪ মে) বেলা ১টা থেকে একটানা চার ঘণ্টা ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবলীলা চলে। দ্বীপের বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটাচ্ছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে বাতাস বইছে, সেই সাথে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র, আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছে দ্বীপবাসী।
বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন জানান, তীব্র বাতাসে সেন্টমার্টিনের সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। ঘরবাড়ি উড়ে গেছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বীপের মানুষ আশ্রয়ন কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও আতঙ্কে ছিল।
সেন্টমার্টিন কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার আবদুল মালেক জানান, কোস্ট গার্ড ভবনে ৭০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু আশ্রয় নিয়েছে। বিজিবি সদস্যরাও রয়েছেন। বসতবাড়ি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হলো প্রাণহানি ঘটেনি। দ্বীপবাসী নিরাপদে আছে।
