বান্দরবানে কেএনএফ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরো ৩ নারীকে কারাগারে প্রেরণ


বান্দরবানের রুমায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরো ৩ নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় গ্রেফতারকৃত তিন নারীকে আদালতে হাজির করা হলে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. নুরুল হক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের সাথে থাকা চার শিশু মায়ের সাথে রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সুশান্ত ত্রিপুরার স্ত্রী লাল রুয়াত ফেল বম (২০), লাল তোয়ান লিয়ান বমের মেয়ে লাল নুন পুই বম (১৯), লাল চয় সাং বমের স্ত্রী লাল এং কল বম (২৬)। তারা সবাই রুমা ইউপির গীর্জাপাড়ার বাসিন্দা।
কেএনএফ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আসামি লাল রুয়াত ফেল বমের সাথে ৩ বছর বয়সি ইউনিক ত্রিপুরা নামে এক কন্যা সন্তান, লাল এং কল বমের সাথে দেড় মাস বয়সি স্টিফেন বম (দুগ্ধপোষ্য) ও ৪ বছর বয়সি লাল থার সাং বম নামে দুই ছেলে সন্তান ও ৩ বছর বয়সি লাল ফেলিনা বম নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ৯টার দিকে রুমার গীর্জাপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। পরে রুমা থানায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বান্দরবান সদর থানায় আনা হয়। আজ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) বিশ্বজিৎ সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেএনএফ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৩ নারীকে রুমা অস্ত্র লুটের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল বান্দরবানের রুমা সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি, ম্যানেজারকে অপহরণ, মসজিদে হামলা এবং পুলিশের অস্ত্র লুটের ঘটনায় রুমা থানায় ৫টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩ এপ্রিল দুপুরে বান্দরবানের থানচি উপজেলার সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ অভিযান করে। এ পর্যন্ত ৯টি মামলায় ২১ জন নারীসহ ৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

















