বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে পালংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৯-এর কাছে এবং শূন্য লাইন থেকে প্রায় ৮০০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুজ্জা খাল লক্ষ্মণের ঘের নামক স্থানে অবস্থান নেয়। ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে ৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা তাদের সঙ্গে থাকা ৫টি পোটলা ফেলে রেখে দ্রুত দৌঁড়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া পোটলাগুলোর ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ৫৫টি কাট থেকে সর্বমোট ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েও ঘটনাস্থল থেকে অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। আগামীতেও মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে অত্যন্ত সফলভাবে কাজ করে আসছে।