পেকুয়ায় দেবরের বিরুদ্ধে ইউপির নারী সদস্যের ধর্ষণ চেষ্টার মামলা!
পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় এবার দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা রুজু করেছেন ইউপির এক নারী সদস্যা। সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রাণালয়ের প্রদত্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় ওই ইউপি সদস্যা চরম দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতির আশ্রয় নেয়। এমনকি উপকারভোগীদের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল ১০ কেজি না দিয়ে ওই ইউপি সদস্যা প্রতিজনকে চাল দিয়েছেন ৬কেজি করে।
এদিকে উপকারভোগী ওই মহিলা সদস্যার চাচাতো দেবর এনিয়ে আপত্তি তোলেন। এতে দুজনের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নারী সদস্যা ক্ষিপ্ত হয়ে পেকুয়া থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে দেবরের বিরুদ্ধে থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা রুজু করে।
ঘটনাটি ঘটেছে, গত সোমবার উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙা এলাকায়।
মামলার বাদী হাছিনা বেগম মগনামা ইউপি ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের নারী সদস্যা। আসামী ছরওয়ার আলম ওই ইউনিয়নের মটকাভাংগা এলাকার আহমদের পুত্র। সম্পর্কে মহিলা মেম্বারের স্বামী মনজুর আলমের চাচাতো ভাই বলে জানা গেছে।
এদিকে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় মহিলা মেম্বারে দায়েরকৃত ফাঁসানো মামলায় নিদোর্ষ ওই যুবক আসামী হওয়ার খবর জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা এটিকে মহিলা মেম্বারের ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রশ্ন তোলে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মামলা দায়েরের খবরে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, গত সোমবার মগনামা ইউনিয়নে বিশেষ ভিজিএফ ও জিআর এর চাল বিতরণ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হাছিনা বেগম উপকারভোগীদের সমুদয় চাল ইউপি কার্যালয় থেকে বিতরণ না করে বস্তা ভর্তি চাল তার ব্যক্তিগত অফিস সোনালীবাজারে নিয়ে আসে। এসময় জনপ্রতি ১০ কেজি চালের পরিবর্তে ৬কেজি চাল দিয়েছেন। ছরওয়ারসহ উপকারভোগীরা এর প্রতিবাদ জানায়।
অপরদিকে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ইউপি সদস্যা ছরওয়ার আলমকে একমাত্র বিবাদি করে ওইদিন রাতে হাছিনা বেগম বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি মামলা রুজু করে। যার মামলা নং- ৫/তাং-০৬-০৭-১৫ইং।
তবে নারী সদস্যা হাছিনা বেগম দাবি করেন, তাকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। এবিষয়ে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো.শহিদুল্লাহ বলেন, মামলাটি নিয়ে অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















