চট্টগ্রামের লাখো নেতাকর্মী ঢাকার পথে


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মহাপ্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশের বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে চট্টগ্রামের লক্ষাধিক নেতা-কর্মী-সমর্থক ছুটে আসতে শুরু করেছেন রাজধানী ঢাকায়। জাতীয় ইতিহাসের এই নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হতে ঢাকায় ছুটছেন নেতা, কর্মী-সমর্থক সবাই।
চট্টগ্রামের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঢাকায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তারেক রহমানের প্রতি তাদের আকাশছোঁয়া ভালোবাসার প্রকাশ। তারা ঢাকায় আসছেন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা সহকারে। আজ ও আগামীকালের মধ্যে নেতাকর্মীরা ঢাকায় পৌঁছে যাবেন। বাস-কোচ, ট্রেন, আকাশপথে যাত্রা এবং রিজার্ভ গাড়ির বুকিং চলছে জোরেশোরে। বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সম্ভাব্য এমপিপ্রার্থী এবং নেতাকর্মীদের মাঝে এ উৎসাহ উদ্দীপনা আরো অনেকে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। তারেক রহমানকে বরণের জন্য চট্টগ্রামের মানুষ রাজধানী ঢাকা আসছেন সুশৃঙ্খলভাবে সদলবলে কিংবা যার যার মতো করে বিভিন্ন যানবাহনে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান। সমগ্র চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ের মণিকোঠায় অনন্য এ তিনটি নাম! সেই মেজর জিয়া চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেডিও স্টেশন থেকে ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ মহান স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। একাত্তরের রণাঙ্গনে চট্টগ্রামের পথঘাটে ঘুরে বেড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভূষিত হন বীর উত্তম খেতাবে। আর, ১৯৮০ সালের ৩০ মে তিনি চট্টগ্রাম শহরের সার্কিট হাউসে বিপথগামীদের গুলিতে শাহাদাতবরণ করেন। শহীদ জিয়াকে প্রথমে কবর দেয়া হয় রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার পাহাড়তলী জিয়ানগরে।
জানা যায়, এই প্রেক্ষাপটে শহীদ জিয়া, বেগম জিয়া তথা তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রামের মানুষের অনন্য এক ভালোবাসার মেলবন্ধন রচিত হয়েই আছে। তাই বলা হয়ে থাকে, বীর চট্টলার মাটি জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির মজবুত ঘাঁটি। বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি নির্বাচনী এলাকার সর্বত্রই তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সরব পৌষের শীতে শহর-গ্রামে-গঞ্জে চায়ের রাজনীতির আড্ডা। সবার মুখে একই কথা- তারেক রহমান আসছেন। পুরোদমে জমবে এবার ভোটের রাজনীতি।
















