ফুটবল উন্নতি করতে হলে টাকা খরচ করতে হবে

fec-image

বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পাওয়া অস্ট্রেলিয়া পলস্মলী পুরোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান। ২০১৬ সালে টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন পলকে চার বছরের জন্য একটা পরিকল্পনা দিয়েছিল বাফুফে।

সেই পরিকল্পনার ২৫ ভাগও বাস্তবায়ন হয়নি। কিংবা পল বাস্তবায়ন করতে পারেননি। তার পরও পল তার পুরোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন বলে বাফুফেরই একটি প্রশ্নে বলেছেন তিনি। গত মাসে পলকে আবার বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বুধবার(১৫ জুলাই) বাফুফে পলের সঙ্গে কথা বলে একটি সাক্ষাত্কার পাঠিয়েছে সংবাদমাধ্যমকে। তার আগের মেয়াদে বর্ষা মৌসুমে যেন ফুটবল লিগ হয় এবং চার বছরের পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে প্রশ্ন ছিল। জবাবে তিনি পরোক্ষভাবে বাফুফে এবং ক্লাবগুলোর ওপর দায় চাপিয়েছেন।

পল বলেছেন, ‘ঘরোয়া ফুটবল ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের জন্য একটা কাঠামোগত পরিকল্পনার সমন্বয় করতে গেলে বাংলাদেশের মতো দেশে সমালোচনা শুনতে হবে। ২০১৬ সালে চার বছরের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তাতে আমি দেখেছি অনেকেই এটার পক্ষে ছিল না। কারণ আবহাওয়ার কারণে ফুটবল ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আসতে পারে।

তাই বাইরের দেশের সঙ্গে এর সমন্বয় করা কঠিন ছিল। তাছাড়া বিজ্ঞাপনের কথা বলে ক্লাবগুলো অনেক সময় ব্যয় করেছে। দুর্ভাগ্য চার বছরের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন এই পরিকল্পনা পুনরায় মূল্যায়ন করে দেখতে হবে কীভাবে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়া যায়।’

এই পল দায়িত্বে থাকাকালীন জাতীয় দলের সাবেক উইংব্যাক পারবেজ বাবু, পোলোকে যোগ্য মনে হয়নি। এখন এই দুই জনই বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছেন শুনে সুর বদল করেছেন পল। বলছেন, ‘ফুটবল তারা প্রত্যেকেই কাজের ব্যাপারে মনোযোগী, পরিশ্রমী, উদ্যমী। তারা ফুটবলের উন্নয়ন চান।’

পল তিন বছর বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন রাতারাতি ফুটবলের উন্নয়ন সম্ভব না। এখানে সময় দিতে হবে। ফুটবল উন্নতি করতে হলে টাকা খরচ করতে হবে।

একাডেমি অ্যাক্রিডিটেশন স্কীম চালু করেছে এটাকে ফুটবলের ভালো দিক বলেছেন পলস্মলী। এতে ফুটবলের সুযোগ-সুবিধা যেমনি বাড়বে, তেমনি এসব একাডেমি যারা কাজ করছেন তাদের মর্যাদাও বাড়বে এবং খেলোয়াড় খুঁজে বের করার দুয়ারও খুলবে। পুরুষ ফুটবলের চেয়ে নারী ফুটবলে বেশি উন্নতি দেখেন পল। পুরুষ ফুটবলে দেখভাল না করার দায়ও স্বীকার করেছেন পলস্মলী।

পল বলেছেন, ‘ফুটবলে উন্নয়নের জন্য সব গুরুত্বপূর্ণ দিকেই মনোযোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল আমার। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার দিক বিবেচনায় নারী ফুটবলে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এজন্য মেয়েদের ফুটবলে অনেক বেশি সময় দিতে হয়েছে এবং সাফল্যও পেয়েছি।’

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর, ফুটবল, বাফুফে
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × 3 =

আরও পড়ুন