উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দেয়ার আহবান জানালেন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ
পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:
সন্তুবাহিনী রাঙ্গামাটিতে ১০ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেল কলেজ উদ্বোধনকে চ্যালেঞ্জ করে পুরো রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে তান্ডবের সৃষ্টি করেছে। তার ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবারে রাঙ্গামাটি শহরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বাঙ্গালীদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আইন শৃংখলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করে অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র বাঙ্গালীদের উপর ঝাপিয়ে পরে, ব্যাংক-বীমা ও মসজিদে ভাংচুর করেছে।
বাঙ্গালীদের এ অসহায় অবস্থায় প্রশাসন উপজাতি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে উল্টো বাঙ্গালীদের বাড়িঘরে তল্লাসী চালাচ্ছে।বাঙ্গালীদের হয়রানী করতেছে।এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান, ইঞ্জিনিয়ার আলাকাছ্ আল মামুন ভূঁইয়া এবং পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় আহবায়ক শেখ আহমদ রাজু।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি এখনই গভীর ভাবে ভেবে দেখার অনুরোধ করছি, যেখানে তথাকথিত শান্তিচুক্তি করে সকল সন্ত্রাসীদের চাকরি দেওয়া হয়, সকল লীডারশীপে উপজাতিদের বসানো হয়, এমনকি শিক্ষা,চাকরিসহ সকল ক্ষেত্রে উপজাতিদের অগ্রাদিকার দেওয়া হয়, এসকল সুবিধার আস্কারা পেয়ে উপজাতি সেটেলাররা আজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে, এবং আপনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পন্ড করার জন্য পায়তারা করে, বিষধর সাপের মত ফানা তুলছে এখনই তাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে না দিলে, তাদের প্রভুদের সমূচিত শিক্ষা না দিলে ভবিষ্যতে জাতিকে তার মাসুল গুনতে হবে”
এমতাবস্থায় সরকারের নিকট পার্বত্য নাগরিক পরিষদের দাবী:
১)জনশৃংখলা ফিরিয়ে আনা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করে উপজাতি সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করা।
২) সন্তুলারমা,উষাতন তালুকদারসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দেয়া।
৩) ক্ষতিগ্রস্থ বাঙ্গালীদের ক্ষতিপুরণ এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্যথায় হরনতাল অবরোধসহ কঠিন কর্মসূচীর দিতে আমরা বাধ্য হব।


















