তেহরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কড়া সতর্কবার্তা সত্ত্বেও তিনি তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী।
রোববার (১ জানুয়ারি) এ মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সতর্ক করে বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হামলা একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।
গত মাসে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কঠোর দমন-পীড়নের পর ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রোববার দেওয়া এক ভাষণে আয়াতুল্লাহ খামেনি সাম্প্রতিক বিক্ষোভগুলোকে অভ্যুত্থান-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে তা শুধু ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি বলেন, আমেরিকানদের জানা উচিত, তারা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে এবার তা হবে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ।
একই সঙ্গে তিনি ইরানের জনগণকে ট্রাম্পের বক্তব্যে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।
খামেনি দাবি করেন, বিক্ষোভকারীরা পুলিশ, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইআরজিসির কেন্দ্র, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা চালিয়েছে এবং কুরআন শরিফ পুড়িয়েছে। তার ভাষায়, “এটি ছিল একটি অভ্যুত্থানের মতো, যা সফলভাবে দমন করা হয়েছে।”
ইরানি নেতার এই সতর্কবার্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “অবশ্যই তিনি এমনটাই বলবেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আশা করি আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। যদি চুক্তি না হয়, তাহলে দেখা যাবে কী ঘটে।”
উল্লেখ্য, ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত একটি ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। তবে দেশটির নেতারা এই আন্দোলনকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানিতে সৃষ্ট ‘দাঙ্গা’ বলে অভিহিত করেছেন।

















