পাহাড় প্রসঙ্গে তারেক রহমানের বক্তব্য সর্বমহলে প্রশংসিত


বিতর্কিত ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতির প্রশ্নে ‘আমাদের সকলের একটাই পরিচয় আমরা বাংলাদেশী’ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর একটি হোটেলে মতবিনিময় সভায় পাহাড় প্রসঙ্গে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এমনকি তাঁর ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে ‘পাহাড় ও সমতলে কোন বৈষম্য থাকবে না। আমাদের সকলের একটাই পরিচয় আমরা বাংলাদেশী’ শিরোনামে ভিডিওটি তিনি শেয়ার দিয়েছেন।
ফেইসবুক পোস্টের কমেন্ট অপশনে তারেক রহমানের এই বক্তব্যকে সময়োপযোগী বক্তব্য বলে মনে করেন নেটিজেনরা। তারেক রহমানের বক্তব্য সমর্থন করে অনেকে লিখেছেন, সমতল-পাহাড় বলতে আলাদা কিছু নেই, নেই কোনো বিভাজন, সবাই সমান। সবাই বাংলাদেশি, এটাই বড় পরিচয়।’
চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারমিতা চাকমা তারেক রহমানের কাছে পাহাড় প্রসঙ্গে এই প্রশ্নটি করেন। পারমিতা চাকমা তারেক রহমানের কাছে জানতে চান, ‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির অধিকার ও ভূমি নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বহু দিন ধরে চলে আসা টানটান উত্তেজনা, উদ্বেগ, নাগরিক নিরাপত্তা এবং পাহাড়ি নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় অংশগ্রহণে বিএনপির ভূমিকাসহ পাহাড়ি তরুণদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও তাদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে বিএনপি কেমন ভূমিকা রাখবে?
উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘একাত্তর সালে যখন যুদ্ধ হয়েছিল দেশ স্বাধীন করার জন্য তখন কে কোন ধর্মের এটা কেউ দেখেনি। আবার কে সমতল, কে পাহাড়ের এটাও দেখেনি। একইভাবে ২০২৪ সালে যখন আন্দোলন হলো ঠিক সে সময়েও কে কোন ধর্মের কেউ দেখেনি। কে সমতলের, কে পাহাড়ের সেটা কেউ দেখেনি। সুতরাং বাংলাদেশের একজন সমতলের তরুণ যে সুবিধা পাবেন, পাহাড়ি একজন তরুণও একই সুবিধা পাবেন। আপনার যোগ্যতার ভিত্তিতে আপনি যাবেন। ২০২৪ সালে আন্দোলন যখন শুরু হলো সেটা কোটাপ্রথা বাতিল দিয়েই শুরু হয়েছিল। তখন আমি বলেছিলাম, কিছু ভিন্ন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তির বিভিন্ন পর্যায়ে ৫ শতাংশ কোটা রেখে পুরোটা মেধার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। সেটা সমতলের হোক কিংবা পাহাড়ের হোক।’
বিএনপির চেয়ারম্যান আবারো জোর দিয়ে বলেন, ‘একজন সমতলের তরুণ প্রজন্মের সদস্য যে সুবিধা পাবেন, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে, পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণও একই সুবিধা পাবেন।’ এই সংলাপে চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের অর্ধশত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে চারশ’ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।















