পেকুয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী লাপাত্তা, বাড়ি লুটপাট, গুলি বর্ষণ
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী লাপাত্তা হয়েছে। স্বামীর অবাধ্য হয়ে ওই মহিলা চার সন্তানের জনকের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে।
এদিকে ওই মহিলা পরকীয়া সম্পর্ক যুবককে দিয়ে তার স্বামীকে প্রাণ নাশ করতে গভীর রাতে স্বামীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনার জের ধরে প্রবাসীর বাড়িতে স্বসস্ত্র সন্ত্রাসীরা হানা দেয়।
এ সময় তারা দু’রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে ভীতি ছড়িয়ে প্রবাসীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুরসহ লুটপাট চালায়।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের দুর্গম সোনাইছড়ি মৌলভী পাড়া এলাকায়।
ওই ঘটনায় স্থানীয়রা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক ও ভাড়াটে লোকজনকে পাকড়া করার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে বিপদগামী স্ত্রীর অনৈতিক হস্তক্ষেপে চরম বেকায়দায় পড়েছেন সদ্য মালয়েশিয়া ফেরত ওই প্রবাসী। হত্যার হুমকিতে তার স্বাভাবিক জীবন যাত্রা বাধা গ্রস্ত হয়েছে। সঞ্চিত সব সম্পদ তার স্ত্রী কুক্ষিগত করায় চরম অর্থ সংকট চলেছেও তার।
জানা গেছে, গত ১৪ বছর পূর্বে টইটংয়ের সোনাইছড়ি এলাকার আহমদনবীর পুত্র মোঃ সাকের একই এলাকার জামাল হোছাইনের মেয়ে কুলসুমা বেগম শিউলি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এদিকে সাকের গত দু’বছর আগে জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন। এরই মধ্যে স্ত্রী শিউলি জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়। টইটং হাজ্বী বাজার এলাকার চার সন্তানের জনক জনৈক কাদেররের হাত ধরে ওই মহিলা গত এক মাস আগে থেকে সংসার ছাড়া হন।
ঘটনার দিন আকস্মিক ওই মহিলাসহ তার প্রেমিক কাদের বহিরাগত অস্ত্রধারীদের নিয়ে মৌলভী পাড়া এসে সাকেরকে বাড়ি থেকে অপহরণ চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সাকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীসহ পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় মহল্লা কমিটি ওই মহিলার এহেন কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গণস্বাক্ষরসহ একটি শালিসী রোয়েদাদ সৃজন করে সম্প্রতি।
এ ব্যাপারে সাকের জানিয়েছেন, ওই মহিলা আমার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। অর্থবিত্ত সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে দু’সন্তানকে রেখে পালিয়েছে। বর্তমানে প্রাণ নাশের হমকি অব্যাহত রেখেছে। মাথা গুজার ঠাই বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়েছে।
কুলসুমা বেগম শিউলি জানিয়েছেন, আমি অনেকদিন আগে থেকে আমার স্বামীকে ডির্ভোস দিয়েছি। কারো সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়িনি।

















