প্রতিদিনই ঘটছে গোলাগুলির ঘটনা: পেকুয়ার রাজাখালী পুলিশ ফাঁড়ি প্রত্যাহার, জনগন আতঙ্কে
পেকুয়া সংবাদদাতা :
পেকুয়া উপজেলায় সন্ত্রাসীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত রাজাখালী ইউনিয়ন। পেকুয়া তদন্ত কেন্দ্র থেকে পেকুয়া থানা প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন রাজাখালী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করে প্রশাসন। কিন্তু কয়েকদিন আগে এই পুলিশ ফাঁড়ি প্রত্যাহার করায় এলাকার সাধারণ জনগন চরম নিরপত্তাহীনতা ও আতংকে ভুগছে। রাজাখালীতে বর্তমানে প্রতিদিনই গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটছে।
সম্প্রতি সুন্দরীপাড়া গ্রামবাসী ও বামলাপাড়াবাসীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ রাউন্ড গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে গত ২ এপ্রিল সকালে রাজাখালী ইউনিয়নের আমিলাপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীরা দিনেদুপরে অস্ত্রের মূখে জিম্মী করে লবণ লুট করার চেষ্টা করলে লবণচাষীরা বাধা বাধা দেয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা লবণ চাষীদের লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি বর্ষন করে। এ দিকে গুটি কয়েক সিন্ডিকেট নিরীহ লবণ চাষীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে।
এলাকার লোকজন জানান, রাজাখালী ইউনিয়নে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলে হয়ত সন্ত্রাসীরা এভাবে গুলি করার সাহস করত না। এ দিকে রাজাখালীতে পুলিশ ফাঁড়ি না থাকায় কোন অঘটনের খবর পেকুয়া থানা পুলিশকে জানালেও পুলিশ যেতে যেতে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। রাজাখালী ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী জানান, রাজাখালীতে পুলিশ ফাঁড়ির জনবল গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেশে বিরোধীদলের আন্দোলন মোকাবেলা করার জন্য পেকুয়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। এরপর থেকে দীর্ঘ ৬ মাস যাবৎ রাজাখালী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত হয়নি।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রাজাখালী পুলিশ ফাঁড়ির স্থান নিয়ে সমস্যায় আছি। তিনি রাজাখালী পুলিশ ফাঁড়ির ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান বাধা দিচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানান।

















