যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

fec-image

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজনীতিবিদ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।

শনিবার সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় শেষে যমুনায় প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এরপর সকাল সোয়া ৯টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়। এতে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলন মেলা ঘটে। এর মধ্যে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও ঈদ শুবেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী অনেকের সঙ্গে হাত মেলান ও কোলাকুলি করেন। অনেকের কাছে গিয়ে খোঁজ-খবর নেন। দেশের সরকারপ্রধানকে কাছে পেয়ে অনেকে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অনেকে। তার সঙ্গে সেলফিও তোলেন। অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা। তবে আমন্ত্রিত হয়েও অতিরিক্ত ভিড়ে অনেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। শুধু কার্ডধারীদেরই ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেন এসএসএফ সদস্যরা।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য যমুনা অভিমুখে সকাল থেকেই ঢল নামে মানুষের। দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ দলে দলে জড়ো হতে থাকেন যমুনা প্রাঙ্গণে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড়ও বাড়তে থাকে। পাঁচটি সিরিয়ালে লোকজনের উপস্থিতি প্রধান ফটকের সামনে থেকে সামনের সড়ক ছাড়িয়ে কাকরাইল ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। পুরো এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তৎপর উপস্থিতি দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

এদিন সকালে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে লন্ডনের পথে দেশ ছাড়তে হয়েছিল বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে। এর আগে ২০০৭ সালে শেষবার দেশে ঈদ করেছিলেন তিনি। ১৯ বছরের দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর এবারই প্রথম ঈদ তারেক রহমানের।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ঈদুল ফিতর, প্রধানমন্ত্রী, শুভেচ্ছা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন