যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হতে পারে : মাসুদ পেজেশকিয়ান


ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দেশটির চারদিকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রস্তুতি নিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যেকোনো সময়ে তারা ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল। এর ফলে ইরানি মুদ্রার রেকর্ড পতন হয়েছে। জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, এই অঞ্চলে অশান্তি ছড়িয়ে পড়লে তা কোনো দেশেরই উপকারে আসবে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হুমকিকে তিনি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চাপ ও হুমকি দিলে তার ফল হবে শুধু অস্থিরতা। এসব পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করবে, কিন্তু কোনো সমস্যার সমাধান দেবে না। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ ও বাইরের হস্তক্ষেপ আগেও সফল হয়নি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশের অঞ্চলে একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে ইরান সতর্ক করে বলেছে, দেশটির ওপর কোনো হামলা হলে তার প্রভাব শুধু ইরানের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। এক জায়গায় অশান্তি হলে তা দ্রুত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও (আইআরজিসি—ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী) বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলো বন্ধু হলেও তাদের আকাশ, ভূমি বা জলসীমা যদি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়, তবে তা শত্রুতামূলক কাজ হিসেবে দেখা হবে।
















