রাঙামাটিতে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, স্থগিত ১, বাতিল ১


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। আটজন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া নথিপত্রে অসংগতি থাকায় একজনের প্রার্থিতা স্থগিত এবং প্রয়োজনীয় ভোটারের স্বাক্ষর কম থাকায় এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এই ঘোষণা দেন বলে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন, রাঙামাটি সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থী ও প্রার্থীর মনোনীত প্রতিনিধিরা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন পত্রের জমাকৃত কাগজ পত্রের অসংগতি থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে পর্যন্ত সময় বেধে দেয়া হয় আর এক শতাংশ স্বাক্ষর নেয়ার কথা থাকলেও কিছু কম থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাটি অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহাম্মদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কস পাটির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী জুই চাকমা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিক্সা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, জাতীয় পার্টি নাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী অশোক তালুকদার, গণ-অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী এম এ বাশার স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা বলেন, বিশাল সংখ্যক স্বাক্ষর নিতে গিয়ে কিছু সংখ্যক স্বাক্ষর কম হয়েছে এজন্য আমার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়। আমি এর বিরুদ্ধে আপিল করবো। আশা করি আপিলে আমার প্রার্থিতা ফিরে পাবো।
কাগজপত্র যাছাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, প্রার্থীদের জমাকৃত কাগজপত্র সঠিক এবং কোনও অভিযোগ না থাকায় ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা, জমাকৃত কাগজ পত্রের অসংগতি থাকায় একজনের স্থগিত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ স্বাক্ষর নেয়ার কথা থাকলেও কিছু কম থাকায় সেটি অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২০ জানুয়ারি, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ ও ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ।















