কক্সবাজারে তিনদিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধন
স্টাফ রিপোর্টার :
‘সরকারের ডিজিটাল কনসেপ্টে দেশ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সারাদেশে ৫৩০০ ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। ৮৫০০ পোস্ট অফিসকে সেই সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছে।’
শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার শহীদ দৌলত ময়দানে (পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে) তিনদিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-২, বেগম নীলুফার আহমেদ এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশ এগিয়ে যাওয়ার এ সময়ে ডিজিটালের অপব্যবহার হচ্ছে। ফেসবুকে অপপ্রচার বেড়ে গেছে। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা ডিজিটালের সুবাদে অনেক কিছু পেয়েছেন। বিশ্বের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করেছেন। অনেক ভাল আছেন। এখন দেশকে এগিয়ে নেয়ার কথা ভাবুন।’
মেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এটুআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ মেলা ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের সহায়তায় মেলায় স্মারকগ্রন্থ ‘ডিজিটাল উদ্ভাবনী বার্তা-২০১৫’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. একে আহমদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহ হাবীবুর রহমান ও পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ আহসান কবীরসহ জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
মেলায় স্থাপিত ৩৪টি স্টলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসাসহ) মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের উপর প্রদর্শনী, শিক্ষার উদ্ভাবনী উপকরণ প্রদর্শনী, কারিগরি শিক্ষা, স্বল্প ও বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণের প্রদর্শনী, ডিজিটাল সেন্টারগুলোর সেবা প্রদর্শনী, ই-কমার্স, সরকারি ই-সেবাসমূহ, মোবাইল কোম্পানী, ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ই-সেবাসমূহ, বিআরটিএ ও পোস্টাল বিভাগের সেবাসমূহের প্রদর্শনী এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রতিদিন মেলায় একটি করে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রতিদিনই তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিযোগিতা ও কুইজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীদের বিনোদনের সুবিধার্থে ১ম, ২য় ও ৩য় দিন সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তিন দিনব্যাপী আয়োজিত মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যথাক্রমে কক্সবাজার জেলা তথ্য অফিসের সৌজন্যে ঝঙ্কার শিল্পী গোষ্ঠী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীবৃন্দ এবং কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীরা তাদের নৈপূণ্য প্রদর্শন করবেন। তিন দিনব্যাপী এ ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় কক্সবাজারের সর্বস্তরের জনগণকে অংশগ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসক, কক্সবাজারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


















