দুই বছরে জেএসএস ও ইউপিডিএফ সশস্ত্র গ্রুপের ১১৩টি সংঘর্ষে নিহত ৩৫


পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জেএসএস (সন্তু) ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) এই দুই গ্রুপের অবৈধ চাঁদা আদায়, আধিপত্য বিস্তার ও পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-কলহকে কেন্দ্র করে গত ২ বছরে নিজেদের মধ্যে ১১৩টি সংঘর্ষ হয়েছে এবং এতে ৩৫ জন সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছে।
পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠিত এসব সশস্ত্র সংঘর্ষে ৩৫ জন নিহত হওয়া ছাড়াও ৩২ জন আহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। তথ্যে এসব সংঘর্ষে ২৮ হাজার ২৭৯টি গুলি বিনিময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক বিষয়াদি নিয়ে কাজ করা গবেষণা ও থিংক-ট্যাংক প্রতিষ্ঠান সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে জেএসএস (সন্তু) ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) এই দুটি সংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৫ বারের সংঘর্ষে গুলি বিনিময় হয়েছে ২৪৯০টি যেখানে আহত হন চারজন নিহত হয়েছেন ৭ জন।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় দেখা যাচ্ছে জেএসএস (সন্তু) ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষটি হয়েছে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে সংঘটিত হওয়া ১৭ বারের সংঘর্ষে গুলি বিনিময় হয়েছে ৫৬০৫টি যেখানে নিহত ১ ও আহত হয়েছেন একজন।
জেএসএস (সন্তু) ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) এই দুটি সংগঠনের পারস্পরিক সংঘর্ষের ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত মাসভিক্তিক পরিসংখ্যান নিচে তুলে ধরা হয়েছে।

















