ইসরাইলে হিজবুল্লাহর বড় ধরনের হামলা শুরু


বিমান হামলার জবাবে ইসরাইলে বড় ধরনের ড্রোন ও রকেট হামলা শুরু করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইসরাইলের পশ্চিম আল-জলিলের দিকে শতাধিক রকেট ছুড়েছে গোষ্ঠীটি।
রোববার (২৫ আগস্ট) লেবাননের আল মায়েদিন টিভির বরাত দিয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন থেকে ইসরাইলের পশ্চিম আল-জলিলের দিকে শতাধিক রকেট ছোড়া হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিম গালিলি ও গোলান মালভূমি গভীরে লক্ষ্যবস্তু করে হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে।
তবে এসব হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে- তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এক বিবৃতিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি বলেছে, গত ৩০ জুলাই বৈরুতে হিজবুল্লাহ কমান্ডার ফুয়াদ শুকরকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলের ‘বড়’ ড্রোন ও রকেট হামলা শুরু করেছে তারা।
হিজবুল্লাহ জানায়, প্রথম দফায় তারা ১১টি ইসরাইলি সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ৩২০টি কাতিউশা রকেট ছুড়েছে। প্রথম দফার হামলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানিয়েছে সশস্ত্রগোষ্ঠীটি।
এর আগে লেবাননের দক্ষিণে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আল মায়েদিন বলছে, ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হামলার পর থেকেই ইসরাইলের সীমান্তবর্তী এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানো শুরু করে হিজবুল্লাহ। এরপর থেকেই অব্যাহত আছে লেবানন ও ইসরাইল সংঘর্ষ।
গত ৩০ জুলাই লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি জনবহুল এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইল। এতে হিজবুল্লাহর সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডার ফুয়াদ শোকর নিহত হন। হিজবুল্লাহ কমান্ডার শোকর নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলায় নিহত হন হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া।
ইসমাইল হানিয়া ও ফুয়াদ শুকরকে হত্যার ঘটনায় ইসরাইলকে দায়ী করয়েছে ইরান ও তার সমর্থিত মিত্র বাহিনী। এরইমধ্যে ইসরাইলকে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

















