ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত

কক্সবাজারে বুলবুলের থাবার শঙ্কা কমছে

fec-image

কক্সবাজার উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ থাবা থেকে আশংকা কমে আসছে পর্যায়ক্রমে। পক্ষান্তরে পায়রা, মংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশংকা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছে। দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার এলাকায় থেমথেমে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৩ টার আবহাওয়ার ২৫ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বঙ্গোপসাগরে আরো ক্ষিপ্র হয়ে উত্তর-উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ কক্সবাজারের বিপরীতমূখী সুন্দরবন, পায়রা ও খুলনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর ৭৪ কিঃ মিঃ এর মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ১৩৫ কিঃ মিঃ থেকে ১৫৫ কিঃমিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিষয়টি কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের প্রধান ও সহকারি আবহাওয়াবিদ মোঃ আবদুর রহমান আবহাওয়া বুলেটিনের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় সাগরে থাকাবস্থায় কক্সবাজারকে কখনো পুরোপুরি আশংকা মুক্ত বলা যাবেনা। তবে সমুদ্র উপকূল পায়রা, মংলা ও সুন্দরবনের তুলনায় কক্সবাজারে আঘাত হানার আশংকা ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে।

তাই আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেতে রাখতে বলেছেন। তিনি আরো জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে আঘাত না হানলেও বুলবুল এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকবে, কক্সবাজারে আগামী ২ দিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হবে এবং কোথাও কোথাও হালকা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

তাঁর মতে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, খুলনা, মংলা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবন এলকায় শনিবার ৯ নভেম্বর দিবাগত শেষ রাতে অথবা রোববার ১০ নভেম্বর ভোরে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে, কক্সবাজার বিমানবন্দরে শনিবার ৯ নভেম্বর সারাদিন বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিলো। বিমানের পূর্ব নির্ধারিত কোন সিডিউল পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে, বিকেল ৩ টা হতে চট্টগ্রাম হজরত শাহ আমানত (রহ.) বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে সিভিল এভিয়েশন সুত্রে জানা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ঘূর্ণিঝড়, বুলবুল
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 + 3 =

আরও পড়ুন