দিঘীনালা উপজেলার দশ গ্রামের চার শতাধিক ত্রিপুরা ও চাকমা উপজাতীয় নেতৃবৃন্দের বিএনপিতে যোগদান
নিজস্ব প্রতিনিধি, পার্বত্য নিউজ :
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের লম্বাছড়া, গুলছড়ি ও চংড়াছড়ি, রাইন্নাছড়া ও রাবার বাগান সহ দশ গ্রামের ত্রিপুরা ও চাকমা উপজাতীয় নেতৃবৃন্দ শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে চন্দ্র কান্তি ত্রিপুরা, বিকলন ত্রিপুরা, সুখময় ত্রিপুরা, তরঙ্গমহন ত্রিপুরা, কিশোরমনি ত্রিপুরা, রামেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সুখময় চাকমা, প্রজ্ঞান চাকমা ও প্রবাসী চাকমার নেতৃত্বে চার শতাধিক উপজাতিয় বিএনপিতে যোগদান করেছে।
আজ শুক্রবার সকালে মেরুং উচ্চ বিদ্যালয় কমিউনিটি সেন্টার প্রাঙ্গণে মেরুং (দক্ষিন) ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মতিউর রহমান নসু‘র সভাপতিত্বে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: মোসলেম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি রতন জ্যোতি ত্রিপুরা, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ রানা।
টেলিকনফারেন্সে দেয়া বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক এমপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াদুদ ভূইয়া যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আপনাদের বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে প্রমানিত হয়েছে পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনের জন্য পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের মধ্যে বিশ্বাস, আস্থা, বন্ধুত্ব, সমঝোতা ও বিএনপি সরকারের অতীব প্রয়োজন। বিএনপি সরকারের আমলে উন্নয়ন কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য আগামীতে বেগম খালেদা জিয়ার মনোনিত প্রার্থীকে ধানের শিষে ভোট দেওয়ার ও নিরপেক্ষ সরকারের দাবীতে আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
যোগদানকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চন্দ্র কান্তি ত্রিপুরা, সুখময় ত্রিপুরা, তরঙ্গমহন ত্রিপুরা, কিশোরমনি ত্রিপুরা, সুখময় চাকমা ও প্রজ্ঞান চাকমা প্রমুখ।
যোগদানকারীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের দূ:শাসন, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি. টেন্ডারবাজী, হত্যা, গুম, হামলা, মিথ্য মামলায় অতিষ্ট হয়ে এবং বিগত সরকারের আমলে সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুইয়ার নেতৃত্বে যে উন্নয়নের ধারা সচিত হয়েছে আগামী দিনে সে উন্নয়নের ধারা অব্যাহ রাখার জন্য ওয়াদুদ ভুইয়ার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বিএনপির জন্য নিজেদের উৎস্বর্গ করলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুশীল জীবন ত্রিপুরা। আঞ্চলিক সমন্বকারী হিসেবে কাজ করেন নির্মল ত্রিপুরা, জীবনান্দ ত্রিপুরা ও প্রীতি বিকাশ ত্রিপুরা প্রমুখ।



















