নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু
নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার প্রকৌশলী জামির হোসেনের অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের ঘটনায় পুরো নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ১০সেপ্টেম্বর বান্দরবান জেলার স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী তদন্তে আসেন। প্রাথমিক তদন্তে ও স্বাক্ষ্য প্রমাণে ঘটনার সত্যতা মিলেছে বলে তিনি জানান। এরপরও অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানিয়ে দেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলা প্রকৌশলী জামির হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে যুবতী মেয়েদেরকে বিভিন্ন রকমের প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলাস্থ সরকারী বাস ভবনে নিয়ে এসে অসামাজিক কার্যকলাপ করেন।
এ ছাড়া দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত প্রকৌশলীর সরকারী বাসায় এধরনের কার্যকলাপের কারণে পার্শ্ববর্তী লোকজনের সন্দেহের সৃষ্টি হলে বিষয়টি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও পাশ্ববর্তী বাসিন্দা সাইফুদ্দিন শিমুলকে অবগত করেন। পরে তিনি বিষয়টি প্রথমে কাউকে না জানিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি বাড়ী যাওয়ার রাস্তা থেকে নিজে প্রকৌশলীকে সরকারী বাস ভবনে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার বিষয়টি দেখে ফেলেন অভিযোগে উল্লেখ করেন।
এ নিয়ে গত ০৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুদ্দিন শিমুল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে উপ পরিচালক মোহাম্মদ নুরল্লাহ নুরী , বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার বরাবর একখানা অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তাহের কোং, জেলা পরিষদ সদস্য ক্যাউচিং চাক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু শাফায়েত মো: শাহেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব।
অভিযোগকারী সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুদ্দিন শিমুল জানান, তিনি বর্তমানে শংকিত এবং উপজেলা প্রকৌশলী নিজেকে রক্ষার জন্য উল্টো তার বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি প্রদান করে আসছে।
এবিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু শাফায়েত মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম বলেন, তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়টি অনেক আগে থেকে শুনে আসছেন। বিষয়টি তিনি উর্ধতন মহলে অবগত করেছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।


















