‘পার্বত্যঞ্চলে বেকার-প্রতিবন্ধিদের বিনামূল্যে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষা দেয়া হবে’

fec-image

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব মিজানুর রহমান বলেছেন, পার্বত্যঞ্চলে কারিগরি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত বেকার ও লোকদের দক্ষ শিক্ষায় শিক্ষিত করা হবে। পার্বত্যঞ্চলে বেকার শিক্ষিত ও অশিক্ষিত ঝড়ে পড়া লোকদের হাতে কলমে শিক্ষা দিয়ে বেকারত্ব দূরীকরণ করা হবে।

বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং আান্তজাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর যৌথ আয়োজনে রোববার (২৭ অক্টোরব) সকাল ১১টায় জনসচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

জনসচেতনতায় বলা হয়, আইএলও বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্কিলস-২১ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৭টি মডেল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানেকে মডেল প্রতিষ্ঠানে প্রাধন্য দেওয়া হয়। এ প্রকল্প বাংলাদেশের সরকারের আর্থায়নে প্রযুক্তিগত বৃত্তিমূলক, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, দেশের শ্রমবাজার দক্ষতা শ্রমিকদের চাহিদা ও সরবরাহের সঙ্গে মিল রেখে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিল্প খাতের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে যাচ্ছে।

প্রশিক্ষণে পার্বত্যঞ্চলে বেকার নারী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী , প্রতিবন্ধী এবং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা  এবং প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে এ প্রকল্পটি।

ইতোমধ্যে আইএলও সহযোগিতায় বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২৫ জন করে একশজন বেকার-যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃবৃন্দ ও আইএও জানান, সম্পুর্ণ বিনা খরচে চারটি ট্রেড কোর্স কার্যক্রম চলমান। এর মধ্যে গ্রাফিকস ডিজাইন, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন এন্ড মেইনটেনেন্স, ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন এবং উড ওয়াকিং মেশিন অপারেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামি ২০২১ সাল পর্যন্ত  এ কার্যক্রম অব্যাহত চলমান থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন হাওলাদার। জনসচেতনতামূলক সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর কম্পিউটার সাজেদা ইয়াছমিন। আরও বক্তব্য রাখেন, আইএলও প্রোগ্রাম অফিসার আনিসুজ্জামান, কেপিএম পেপার মিলস এমডিড. এম এ কাদের, খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল পরিচালক ডাক্তার প্রবীর খিয়াং, কাপ্তাই থানার ওসি মোঃ নাসির উদ্দিন।

জনসচেতনতা কর্মশালায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, স্কুল ও প্রতিষ্ঠান প্রধান, হেডম্যান, কারবারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল বিভাগীয় প্রধাণ গন উপস্থিত থেকে নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করেন।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − six =

আরও পড়ুন