পূর্ব তিমুরের পথে পার্বত্য চট্টলা?

fec-image

ব্রিটিশ আইসিএস অফিসার মি. কুপল্যান্ড পার্বত্য চট্রগ্রাম নিয়ে একটা প্রকল্প দাঁড় করিয়েছিলেন। যাকে ‘কুপল্যান্ড প্ল্যান’ বলা হয়। সে সময় প্ল্যানটা বাস্তবায়ন না হলেও এনজিওদের মাধ্যমে খ্রিস্টান বানানো হচ্ছে। খ্রিস্টান কমিশন ফর ডেভলপমেন্ট বাংলাদেশ (সিসিডিবি), অ্যাডভানটেজ ক্রুশ অব বাংলাদেশ, হিউম্যানিট্রেইন ফাউন্ডেশন, গ্রিন হিল, গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা (গ্রাউস), ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান ক্রুশ, শান্তিরাণী ক্যাথলিক চার্চ, জাইনপাড়া আশ্রম, তৈদান, আশার আলো, মহামনি শিশু সদন, কৈনানিয়া, তৈমু প্রভৃতি এনজিওর বিরুদ্ধে তিন পার্বত্য জেলায় খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিতকরণ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যায় খ্রিস্টানদের অবস্থান ছিল তলানীতে । অথচ এখন হিন্দুদের ডিঙ্গিয়ে ২য় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হতে যাচ্ছে তারা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী বান্দরবানের রুমা উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ২৬ হাজার ৫৮৯ জন। ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ছয় হাজার ৮২৭। এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা এক হাজার ৮১৩ জন, পরিবার ৩৫০টি, খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১১ হাজার ৮৮০, পরিবার দুই হাজার ৫১৯টি, বৌদ্ধ জনসংখ্যা নয় হাজার ৯০৯, পরিবার এক হাজার ৯৮৮টি ও হিন্দু জনসংখ্যা ৪১৬, পরিবার ১৪২টি।

থানচি উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ১৬ হাজার ৯৯২। ১০ বছরের কম বয়সী শিশু চার হাজার ৭৯৭টি। এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা এক হাজার ২৮৬, পরিবার ১৪০টি, খ্রিস্টান জনসংখ্যা নয় হাজার ২৯২, পরিবার এক হাজার ৯৫১, বৌদ্ধ জনসংখ্যা চার হাজার ৫৪৫, পরিবার ৮৮৯ ও হিন্দু জনসংখ্যা ৩৫১ এবং পরিবার ১০৩টি।

আলী কদম উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ৩৫ হাজার ২৬৪ জন। এর মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশু ১০ হাজার ৩৪০। এই জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা ২০ হাজার ৭৩৭। পরিবার তিন হাজার ৯৯৫টি, খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১০ হাজার ৯১৭, পরিবার দুই হাজার ২৩৬, বৌদ্ধ জনসংখ্যা দুই হাজার ৩২, পরিবার ৪৬২টি ও হিন্দু জনসংখ্যা এক হাজার ৫১৭ ও পরিবার ৩২০টি।

বান্দরবান সদরে মোট জনসংখ্যা ৬৮ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে ১০ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৩৬। এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ২৯ হাজার ১৮৫ জন, পরিবার পাঁচ হাজার ৭০২টি, খ্রিস্টান জনসংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬৫, পরিবার পাঁচ হাজার ৪৫০, বৌদ্ধ জনসংখ্যা তিন হাজার ৭৪ ও পরিবার ৬৩৪টি এবং হিন্দু জনসংখ্যা পাঁচ হাজার ৩২৯, পরিবার এক হাজার ১৯৫টি।

লামা উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ৭৮ হাজার ৪৮৮। এর মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশু ২৮ হাজার ৮৩০। এই উপজেলায় মোট জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম ৫৪ হাজার ৩৪৯ ও পরিবার ১১ হাজার ২৬৯ টি, খ্রিস্টান জনসখ্যা ১৫ হাজার ৪২৯ জন, পরিবার তিন হাজার ১৫০টি, বৌদ্ধ জনসংখ্যা চার হাজার ৯৬৬ ও পরিবার এক হাজার ১৫টি এবং হিন্দু জনসংখ্যা রয়েছে দুই হাজার ৪৩৪ জন, পরিবার ৫৭৩টি।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ৪৯ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৭২। এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ৩৬ হাজার ৭৬৬, পরিবার ছয় হাজার ৬২৯টি, খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১১ হাজার ৫২৩ জন, পরিবার দুই হাজার ১৯১টি, বৌদ্ধ জনসংখ্যা ২৫৪ জন, বৌদ্ধ পরিবার ৬৭, হিন্দু জনসংখ্যা ৫৩০ ও পরিবার ১২৩টি।

রোয়াংছড়িতে মোট জনসংখ্যা ২২ হাজার ৬২৯ জন। এর মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৯৮০। একই উপজেলায় মুসলিম জনসংখ্যা এক হাজার ৯২৬ জন, পরিবার ৩৮৭টি,খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১৫ হাজার ৫৯১ জন, পরিবার তিন হাজার ৪০৪টি, বৌদ্ধ জনসংখ্যা তিন হাজার ৭৬৬ জন, পরিবার ৭৬৫টি এবং হিন্দু জনসংখ্যা ২১৯ ও পরিবার ৮৩ টি।

এ নিয়ে কোন দল কিংবা ব্যক্তিদের তেমন মাথা ব্যাথা নেই। যাচ্ছে দিন এই অবস্থা। দেশপ্রেমের চেতনাধারীরাও চুপ। তবে কি পূর্ব তিমুরের পথেই জুম্মল্যান্ড?

সূত্র: ফেসবুক

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: পার্বত্য চট্টলা?, পূর্ব তিমুর
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two + fifteen =

আরও পড়ুন