চকরিয়ায় ধানী জমির দিয়ে উপর রাস্তা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা

চকরিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ধানী জমির উপর দুই ইউপি সদস্যের আর্থিক লেনদেনে নতুন রাস্তা নির্মাণ নিয়ে এলাকার ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ১১ মার্চ সকাল ১১টায় উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মাইজঘোনা মধ্যমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
এনিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার এসআই আবদুল খালেকের নেতৃত্বে পুলিশদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবৈধভাবে নির্মিত রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
অভিযোগে জানায়, সাহারবিল মাইজঘোনা মধ্যম পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বৃহত্তর ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী ছৈয়দ আহমদ গংয়ের ওয়ারিশদের পৈত্রিক ধানী জমিতে স্থানীয় সাহারবিল ইউনিয়নের ২জন ইউপি সদস্য নুরুল হোছাইন ও রফিকুল ইসলাম প্রকাশ পেঠান জমি বিরোধের প্রতিপক্ষের লোকজনের কাছ থেকে আর্থিক লেনদেনে পরিষদের কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ করে দিচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় মৃত সিরাজ মিয়ার পুত্র চট্টগ্রাম গার্মেন্টসে চাকুরীরত গিয়াস উদ্দিন, চিরিংগা ভূমি অফিসের উম্মেদার বেলাল উদ্দিন ও তার ভাই শাহাব উদ্দিন গং দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার নাম দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
দীর্ঘ ৩০ বছর পূর্বে চিরিংগা বদরখালী সড়ক থেকে ৬শত মিটার রাস্তার জমি দেন সাবেক চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ। ওই রাস্তায় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ব্রীক সলিং করা হয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে ২০টি পরিবারের লোকজন চলাচল করছে। এরপরও ছৈয়দ আহমদ চেয়ারম্যানের ওয়ারিশ মাস্টার আবদুল কুদ্দুছ গংয়ের ধানী জমিতে ফের রাস্তা নির্মাণ করতে গেলে তাতে বাধা দেন। তা অমান্য করে পরিষদের দুই ইউপি সদস্য রাস্তা নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখলে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ রাখা হয়েছে।
সৃষ্ট সমস্যা নিয়ে এদিন রাতে ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুলের উপস্থিতিতে থানায় শালিস বৈঠকও হয়েছে। ইতিপূর্বে অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন ও শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় জিআর মামলা নং ৪৫৩ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, কক্সবাজারে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে বলে জানাগেছে।

















