টইটং এক অসহায় পরিবারকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা
নিজস্ব প্রতিনিধি, পেকুয়া :
পেকুয়ার পূর্ব টইটং এ এক অসহায় পরিবারকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, পূর্ব টইটং জানালী মুড়ার মৃত আজিজুর রহমানের মেয়ে লায়লা বেগম ও ছেলে কামালউদ্দিনকে তাদের পৈত্রিক বসতভিটা থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করতে তাদেরই ভাই নওশা মিয়া একের পর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও অসহায় লায়লা বেগম বলেন, তার পিতাকে সাথে নিয়ে সরকারী রিজার্ভ পাহাড়ি জায়গা আবাদ করে বসতি স্থাপন করে আসছিল মধ্যখানে স্বামীর সংসারে গিয়ে স্বামীকে হারিয়ে পিতার অনুরোধে আবারও পিতার বসতবিটায় বসতি স্থাপন করে ছেলে মেয়ে নিয়ে কোন রকম দিনযাপন করছেন। এদিকে পৈত্রিক বসবিটাটি একা জবর দখলতে মরিয়া হয়ে ইতিমধ্যে নওশামিয়া তাদের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে।
স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহর মাধ্যমে ছেলে মেয়ে অংশ হিসেবে তাদের পৈত্রিক বসতবিটাটি ভাগ করে দেয়ার পরও নওশামিয়া সর্বশেষ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ৪ জুন চকরিয়া জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আপন ভাই কামাল উদ্দিন বোন লায়লা বেগম, ফিরোজা বেগম ও লায়লা বেগমের ছেলে নেজাম উদ্দিন সহ ৬ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ সাজিয়ে মামলা দায়ের করেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে মামলা দায়েরের খবর শুনে লায়লা বেগম ফিরোজা বেগম ও তাদের ভাই কামালউদ্দিন দিশেহারা হয়ে পালিয়ে গেলে নওশা মিয়া স্থানীয় ভ’মিদস্যূদের নিয়ে তাদের বসতবিটা জবর দখল করতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের প্রতিরোধ করেন। এবং আবারো লায়লা বেগমদের বসতঘরে প্রবেশ করিয়েদেন। মামলা মোকাদ্দমা কোট কিছুই বুঝে না ওই অসহায় হৃতদ্ররিদ্র পরিবারের লোকেরা।
তারা বলেন, নওশামিয়া তার প্রাপ্ত অংশের বেশির ভাগ জায়গা বিক্রি করে দিয়ে এখন তাদের জায়গা দখল করে তাদের পথে বের করে দেয়ার চেষ্ঠা করছে। অভাব অনটনের সংসারে নিত্যদিনের খোরপোষ জোগাড় করতে হিমশিম অবস্থা সেখানে কিভাবে এসব হয়রানির মোকাবেলা করবে তা নিয়ে বড় ব্যতিব্যস্থ হয়ে পড়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টইটং বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের কাছে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ১০ জুন ও এর পূর্বেও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, লায়লা বেগম গং অতিদরিদ্র ও দীর্ঘদিন ধরে সরকারী রিজার্ভ জায়গায় বসতবিটা তৈরী করে আছে এবং ওই বসতবিটায় কেউ গাছ পালা এখনো কাটেনি। মামলার বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


















