বন্যায় ৫৪ জনের বেশিরভাগেরই মৃত্যুর কারণ পাহাড় ধস : দুর্যোগমন্ত্রী


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যায় ৫৪ জনের বেশিরভাগই পাহাড় ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
দুর্যোগমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৭৫ লখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে প্রতিটি জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে আমরা নিয়োজিত করেছি। তাদের উদ্ধার কাজ পরিচালনা করার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট পাঠিয়েছি।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আজকে যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যেসব রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, অল্প সময়ের মধ্যে তারা সেটা মেরামত করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে সমস্ত সড়ক, তারা সেটা মেরামত করবে। আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে সেগুলোকে আমরা কাবিখা-কাবিটা দিয়ে মেরামত করব। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্ত এলাকাগুলোতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, বন্যার ঘটনায় সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠক করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে। ওনার নির্দেশনায় আমি আগামীকাল থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করব। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
















