বেপরোয়া পাহাড়ীকা: অল্পের জন্য বেঁচে গেলো রাঙামাটির ৫০টি প্রাণ
স্টাফ রিপোর্টার:
অল্পের জন্য বেঁচে গেলো রাঙামাটির প্রায় ৫০টি প্রাণ। চালকের অবহেলার কারণে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে মানিকছড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে পাহাড়ীকা (রাঙামাটি-ব, ০২-০০০৪) নামক একটি যাত্রীবাহী বাস। তবে পাহাড়ীকা যাত্রীবাহী বাসের জন্য এ ঘটনা নতুন কিছু নয়। আগেও অনেক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এমন অভিযোগ অনেক। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে নজরদারি না থাকার কারণে পাহাড়ীকা বাসটি দিন দিন বেপরুয়া হয়ে উঠেছে।
কবির হোসেন, মাহাফুজ, নূর মোহম্মদ, মো. কামালসহ আরও অনেকে মঙ্গলবার দুর্ঘটনায় পড়া পাহাড়ীকা বাসের যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পাহাড়ীকা নামক বাসটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাঙামাটির মানিকছড়ি সড়কে পৌঁছলে গতি হারিয়ে ফেলে। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে চালক মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) চলন্ত গাড়ির জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এসময় বাসে থাকা প্রায় ৫০জন যাত্রীর মধ্যে ভয়ে আতঙ্ক শুরু হয়। এসময় তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে আহত হয় কয়েকজন যাত্রী। পরে বাসের হেলপার গাড়িটাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অনেক চেষ্টা করে পাহাড়ের ঢালে কাটা তারের সাথে চলন্ত বাসটি থেমে যায়্ । তবে আর একটু সামনে গেলেই ১৫০থেকে ২০০ফুট পাহাড়ের নিচে পড়ে যেত যাত্রীসহ বাসটি । অদক্ষ চালকের কারণে অকালে ঝরে পাড়তো অনেক প্রাণ।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত পাহাড়ীকা বাসের চালক মো. আনোয়ার হোসেনের সাথে কোন যোগাযোগ করা যায় নি।
এ ব্যাপারে রাঙামাটি বাস-মালিক সমিতির সভাপতি মো. মঈন উদ্দিন সেলিম জানান, গত মঙ্গলবার পাহাড়ীকা বাসের দুর্ঘটনার বিষয় সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। তার কাছে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আসে নি। তবে খবর নিয়ে এ ব্যাপারে সমিতির পক্ষ থেকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


















