রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামে শতভাগ মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয় : সালাহউদ্দিন আহমদ


বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পার্বত্য চট্টগ্রামে শতভাগ মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই সংলাপের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এখানে যদি আমরা ১০০ শতাংশ হিউম্যান রাইটস ভায়োলেশনের বিষয়টা নজরে নিয়ে আসি, তাহলে আমাদের ডিফেন্স ফোর্সকে অনেক কিছু প্রয়োগ করতে দিতে পারব না। অথচ ওখানে এমন কিছু হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখতে ডিফেন্স ফোর্সকে অনেক ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। কিন্তু সেটা যদি আবার হিউম্যান রাইটস কমিশনের ভেতরে ১০০ শতাংশ নিয়ে আসি, তাহলে সেটা আরও বড় থ্রেট হয়ে যাবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কি মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে হিউম্যান রাইটস ভায়োলেশন হয়নি? হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে আমরা বলি- এভরিথিং ইজ ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়ার এন্ড পলিটিক্স। তাহলে যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের হাতেও যদি…। কিছু কিছু স্ট্রেট অর্গান আমাদের ওপর হিউম্যান রাইটস ভায়োলেশন করেছে, মাস কিলিং করেছে, যাদের গুলিতে ১৪ শ’র বেশি ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন। এখন কিছু কিছু আওয়াজ উঠছে- তাদের (জুলাই আন্দোলনকারীদের) বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার নেই? কেন জুলাই জাতীয় সনদে ইনডেমনিটি দেওয়া হলো? এটা কি আপনারা হিউম্যান রাইটস ভায়োলেশন বলবেন?
তিনি বলেন, যুদ্ধের ময়দানে সবকিছু ফেয়ার। তাই আমরা ইনডেমনিটিকে সমর্থন করেছি। এখন যদি বলা হয় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে দিতে হবে, তাহলে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকারদের হত্যা করার দায়ে এখন মামলা করা যাবে। সুতরাং ব্যতিক্রম সবখানেই আছে। আমরা সবকিছুকে হিউম্যান রাইটস বলতে পারব না।
















