কুতুবদিয়ায় গরিবের মরণ ফাঁদ “লকডাউন”

fec-image

কুতুবদিয়া আবারো কড়া লকডাউনে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গরিবের মরণ ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে জীবনধারণ।

সর্বশেষ স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে উপজেলায় ৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ধুরুং ৭ নং ওয়ার্ডের কালারমার মসজিদ পাড়াতেই শিশু, নারীসহ আক্রান্ত ২৫ জন।

যে কারণে প্রশাসন ওই ওয়ার্ডকে রেডজোন ঘোষণা করে উপজেলায় আবার কড়া লকডাউন দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুস্মরণ ও নতুন বিধিমালা জারী করা হয়েছে গত ২৬ জুন থেকে।

প্রধান বড়ঘোপ,ধুরুং চৌমুহনী ৩টি বাজারে সপ্তাহে ৩ দিন খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। সেখানেও নিত্যপন্য, ফার্মেসী, কাঁচাবাজার, মাছ এসব দোকান খোলা রাখা যাবে।

গণপরিবহণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রোগী আর নিত্যপন্য পরিবহণ ছাড়া। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে জীপ, রিক্সা, টেম্পো, টেক্সীর কয়েকহাজার শ্রমিক।

সাগরে জালে মাছ ধরা নিষিদ্ধে সেখোনেও বেকার অন্তত ৮ হাজার জেলে পরিবার। করোনা আক্রান্তের পরিবার নিরাপদে রাখার লক্ষ্যে প্রায় শতাধিক বাড়ি লকডাউন দেয়া হয়। ১০ ব্যাংক-প্রতিষ্ঠান লকডাউনে নেয়া হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো, জিয়াউল হক মীর বলেন, হঠাৎ করে উপজেলায় বিশেষ করে উত্তর ধুরুং ইউনিয়নে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অত্যাধিক বেড়ে যাওয়ায় করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে লকডাউন দেয়া হয়েছে।

বিধি নিষেধ আরোপিত হয়েছে বশে কয়েকটি সেক্টরে। গরীবের যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

দ্বীপের স্বার্থে সাময়িক বিধি নিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি অনুস্মরণে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস, কুতুবদিয়া, লকডাউন
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 + one =

আরও পড়ুন