চুল বাঁধা থেকে মাথাব্যথা

fec-image

আঁটসাঁট করে চুল বেঁধে রাখার কারণে দেখা দিতে দপদপানি মাথাব্যথা।

লম্বা চুল নারীর সৌন্দর্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করলেও দৈনন্দিন কাজে খোলা চুল সামলানো বেশ ঝক্কির কাজ। তাই যেকোনো কাজে লম্বা চুল যাদের তাদের জন্য সবচাইতে সহজ ও সুবিধাজনক চুল বাঁধা হলো ‘পনিটেইল’। তবে সমস্যা হলো মাথার সব চুল এভাবে আঁটসাঁট করে বেঁধে রাখার কারণে দেখা দেয় দপদপানি মাথাব্যথা। যা মুখের ওপর থেকে চুল সরানোর চাইতে কয়েকগুন বেশি যন্ত্রণাদায়ক।

এখানেই শেষ নয়, চুল কতটা শক্ত করে বাঁধছেন তার ওপর নির্ভর করে মাথাব্যথার মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল এবিষয়ে বিস্তারিত।

মাথাব্যথা হওয়ার কারণ: চুল শক্ত করে বেঁধে রাখালে মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় থাকা ‘হেয়ার ফলিকল’য়ে টান পড়ে, আর তা থেকেই মাথাব্যথার সৃষ্টি হয়। ‘হেয়ার ফলিকল’য়ের গোড়ায় অসংখ্য স্নায়ু থাকে, তাই সেখানে টান পড়লে ব্যথা হয়। যাদের ‘মাইগ্রেইন’য়ের সমস্যা আছে তারা এভাবে চুল বেঁধে রাখলে মাথাব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এধরনের ব্যথাকে চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষায় বলা হয় ‘কিউটেনাস অ্যালোডাইনিয়া’। শুধু চুল বাঁধা নয়, চুলে চিরুনি চালানো, ‘শেইভিং’, গোসল, চশমা পরা, কানের দুল পরার কারণেও একইভাবে ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে।

করণীয়: মাথার ত্বকের টান পড়ে এমনভাবে চুল বাঁধা এড়িয়ে চলতে হবে। ‘পনিটেইল’ আর খোঁপা দুটোই মাথার ত্বকের ওপর বেশ চাপ ফেলে। এভাবে চুল যদি বাঁধতেই হয় তবে বেশি শক্ত করে না বেঁধে হালকাভাবে বেঁধে ঘাড়ের পেছনের অংশে ফেলে রাখা ভালো হবে। মাথাব্যথায় আক্রান্ত অবস্থায় চুল বেঁধে না রেখে খুলে রাখতে হবে। শরীরচর্চার সময় ‘পনিটেইল’ না করে চুল দুভাগে ভাগ করে বেণি করতে পারেন।

এছাড়াও ‘পনিটেইল’য়ের কারণে মাথাব্যথা না হলেও দীর্ঘমেয়াদে চুল পড়ার আশঙ্কা বাড়বে এভাবে চুল বাঁধার কারণে। আর একই ‘হেয়ারস্টাইল’ সবসময় না রেখে ভিন্নতা রাখতে হবে, যাতে এক জায়গায় বেশি চাপ না পড়ে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: চুল বা*ধা, মাথাব্যথা, রুপচর্চা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × three =

আরও পড়ুন