পেকুয়ায় অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
স্টাফ রিপোর্টার:
পেকুয়ার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়া কাটায় গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফুর রশিদ খান। দীর্ঘদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধপূর্ন ওই অবৈধ বসতি নিয়ে মামলা চলার পর উচ্চ আদালত রায়ে মঙ্গলবার সকালে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এ বসতি দখলমুক্ত করে দেন।
মামলার রায় পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, টইটং ইউনিয়নের ধনিয়া কাটা এলাকার সোনাইছড়ি মৌজার বিএস ১১৭ খতিয়ান এর আন্দরে ৬৫৯৪ দাগের (নামজারী ৮৭২) ৫৫শতক জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল ওই এলাকার মৃত মাহাবুর রহমান এর পুত্র আবদুল মান্নান গং ও ফজল কাদেরের পুত্র নুর মোহাম্মদ, নুরুল কাদের এবং মোস্তাক আহমদ ও জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে।
বিষয়টি নিয়ে ২০১২ সালে আবদুল মান্নান ও মো: সেলিম গংয়ের ১০জন বাদী হয়ে চকরিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং অপর ১৬৩/১২ইং। যাতে বিবাদী করা হয় নুরুল কাদের, নুর মুহাম্মদ, মোস্তাক ও জাহাঙ্গীরকে। আদালত দীর্ঘ শুনানীর পর ২০১৪ সালে ওই মামলায় মান্নান গংয়ের পক্ষে রায় প্রদান করেন। ২০১৫ সালের প্রথম দিকে ওই মামলার রায়ের অনুকূলে বিবাদীরা আপিল করলে আদালত তা খারিজ করে দেয়।
এদিকে ওই জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা থাকায় তা উচ্ছেদে আদালতের ধারস্থ হয় মান্নান। যার মামলা নং অপর জারী ০১/১৫ইং। আদালত সর্বশেষ ওই উচ্ছেদ মামলা দীর্ঘ শুনানীর পর ওই অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করার জন্য পেকুয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে নির্দেশ প্রদান করেন। যা গতকাল পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফুর রশিদ খান উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে মান্নানকে জায়গা বুঝিয়ে দেন।
নুরুল কাদের গংয়ের পক্ষে মোস্তাক জানান, মামলা চালাতে তাদের গাফিলতি থাকায় রায় মান্নান গংয়ের পক্ষে চলে গেছে। বিষয়টি তারা আবারো আপিল করবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফুর রশিদ খান জানান, উচ্চ আদালত থেকে ওই অবৈধ বসতি উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ প্রদান করায় তা কার্যকর করা হয়েছে।

















