বাইশারীতে গৃহবধুর ঘরে প্রবেশ করে শ্রমিকদল সভাপতির হামলার অভিযোগ

fec-image

পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিন বাইশারী গ্রামে শোয়ার কক্ষে প্রবেশ করে হামলায় এক গৃহবধুকে আহত করেছে স্থানীয় শ্রমিকদল সভাপতি সব্বির আহমদ। আহত গৃহ বধুর নাম হাছিনা বেগম । বয়স ২৭ বছর। সে এ গ্রামের মাহবুবর রহমানের স্ত্রী। হাসিনা বেগম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ নিয়ে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযোগে প্রকাশ, হাসিনা বেগম ও তার স্বামী এখানে বসবাস করে আসছেন দীর্ঘ একযুগ। প্রতিবেশী সাব্বির তাদের প্রতিবেশী। তারা প্রভাবশালীও বটে। তিনি বিএনপির সহযোগি সংগঠন বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি। এছাড়া এ গ্রামের অধিকাংশই তার আত্মীয়-স্বজন।

আহত হাসিনার স্বামী মাহবুবর রহমান জানান, সাব্বির আহমদ স্বানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: আলমের বিয়াই পরিবারের সদস্য। আলম কোম্পানী আওয়ামী লীগ ব্যানারের চেয়ারম্যান হলেও বিএনপির নেতাদের সাথে তার পারিবারিব সখ্যতা দীর্ঘ দিনের।

এরই ধারাবাহিকতায় সাব্বিরের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে আগামীতে নির্বাচনী তৎপরতায় ব্যবহারের জন্যে সাব্বিরকে দিয়ে নানা অপরাধ করে যাচ্ছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাব্বির আহমদ স্বদল বলে তার অনুপস্থিতে স্ত্রীর কক্ষে তাকে মারধর শুরু করে।

তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে তার স্ত্রী প্রাণে রক্ষা পায়। সে এখন একটি হাসপাতালে আশংকাজনক অবস্থায় আছে বলে জানা যায়।

আহত হাসিনা বেগম জানান, তার স্বামীর সাথে সাব্বিরের সীমানা সংক্রান্ত সামান্য সমস্যা থাকলেও এটি আইনের বিষয়। কিন্তু ঘটনার দিন সাব্বির তার শালা কানা সাইফুল ও অপরাপর লোকজনমহ হঠাৎ তার বাড়িতে ঢুকে তার শয়ন কক্ষে প্ররেশ করে তার স্বামীকে খুজঁতে থাকে। গালিগালাজ শুরু করে।

তিনি আরো জানান, এসবের কারণ জানতে চাইলে সাব্বির আরো ক্ষেপে গিয়ে তার উপর ঝপিঁয়ে পড়ে। শুরু করে নির্যাতন।

অপরদিকে শ্রমিক দলের সভাপতি মো: সাব্বির জানান, আসলে ঘটনা এতো টুকু না। সেই তাকে খন্তি নিয়ে আঘাত করে। আর চার জন পুরুষ যদি একজন মহিলাকে মারে, সে তো বেঁচে থাকার কথা নয়। তবে তিনি একটি ধাক্কা মেরেছেন মাত্র। বাকী সব সাজানো।

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আলম কোম্পানী বলেন, মহিলাটির অভিযোগ সঠিক নয়। আসলেও সাব্বির একজন ভালো মানুষ। একটি ল্যাটিনের বিষয় নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সংঘঠিত ঘটনাটি এভাবে গড়িয়ে যাচ্ছে। তার দৃষ্টিতে হাসিনার পরিবার দোষী।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − seven =

আরও পড়ুন