বিশ্বকাপ আবেগে কাঁপছে বাংলাদেশও, মেগা ইভেন্টের আর বাকি কয়েক ঘণ্টা


ঘড়ির কাটা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পেরোলেই থামবে কোটি ফুটবল ভক্তের দীর্ঘ চার বছরের প্রতীক্ষা। বিশ্বকাপ ফুটবলের এই উন্মাদনা সীমানা ছাড়িয়ে আকাশ ছুঁয়েছে! টেক্সাস থেকে টরেন্টো, কিংবা মেক্সিকো সিটি-গলির মোড় থেকে শুরু করে স্টেডিয়ামের গ্যালারি, সবখানেই এখন উৎসবের রঙ।
আর আমাদের দেশ? সে তো ফুটবল আবেগে কাঁপছে চেনা এই শহরগুলোও। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের পতাকায় ছেয়ে গেছে ছাদ থেকে ছাদ। ঝড় উঠছে চায়ের কাপে-কে হাসবে শেষ হাসি?
৪৮টি দল আর তিনটি দেশের ১৬টি চোখ ধাঁধানো স্টেডিয়ামে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ থেকে ব্রাজিল, টেক্সাস থেকে টরেন্টো উন্মাদনার পারদ এখন আকাশছোঁয়া।
ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ যেন মিশে যাচ্ছে কোটি কোটি হৃৎস্পন্দনের সাথে। প্রতীক্ষার অবসান হতে আর মাত্র অল্প সময় বাকি। এরপরই বাঁশি বাজবে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড়, আর জমকালো মহাযজ্ঞের। পর্দা উঠছে ফিফা বিশ্বকাপ।
কিন্তু এবারের বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্টই নয়; এটি একটি যুগের অবসান। শেষবারের মতো এক মঞ্চে দেখা যাবে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, আর নেইমার জুনিয়র-ফুটবল ইতিহাসের তিন মহানায়ক। এটাই হতে যাচ্ছে তাদের শেষ বিশ্বমঞ্চ, শেষবারের মতো সোনালী ট্রফি ছোঁয়ার অন্তিম লড়াই। কোটি ভক্তের চোখে জল আর বুকে আশা নিয়ে শুরু হচ্ছে তিন মহা-তারকার এই ‘লাস্ট ড্যান্স’। বিদায়ের এই সুর টুর্নামেন্টকে দিয়েছে এক অদ্ভুত, মায়াবী আর নাটকীয় রূপ।
এবারের লড়াইটা বিশাল, এর ক্যানভাসও সুবিশাল। ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দল-৪৮টি দেশের স্বপ্ন নিয়ে, ইতিহাসের প্রথমবার মেগা বিশ্বকাপ আয়োজন করছে উত্তর আমেরিকার তিন পরাশক্তি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকো। ১৬টি অত্যাধুনিক, চোখ ধাঁধানো স্টেডিয়ামে বল গড়াবে গতির ঝড় তুলতে।
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্যানভাস, কিন্তু বিদায়ের শেষ সুর। কার হাতে ওঠবে সেই সোনালী ট্রফি? মেসি, রোনালদো, নাকি নেইমার? নাকি নতুন কোনো মহানায়কের জন্ম দেখবে বিশ্ব? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে মাঠের ফুটবলের জন্য।
















