মাটিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলো অর্ধশত পরিবার

fec-image

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃলা দেব বলেছেন, ভূমিহীন ও গৃহহীনহীনদের স্থায়ী ঠিকানা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতো মানুষকে ঘরসহ জমিদান বিশ্বে অনন্য। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার জনগনের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বলয় বাড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই এ দেশ এক দিন সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভুমিসহ ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি সংযুক্ত হয়ে শুভ উদ্বোধন করার পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এসব গৃহ ও জমি হস্তান্তর করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃলা দেব।

এসময় মাটিরাঙ্গায় থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহম্মেদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাদারন সম্পাদক সুবাস চাকমা, বেলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রহমত উল্যাহ, মাটিরাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হেমেন্দ্র ত্রিপুরা ও বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ ছাড়াও বিভাগীয় প্রধান, নির্বাচিত জনপথিনিধি ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নকশা ও পরিকল্পনার তুলনায় এবার কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। যার ফলে ঘরগুলো অনেক সুন্দর, টেকসই ও দূর্যোগ সহনীয় হবে বলে মনে করছেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহম্মেদ। তিনি বলেন, ঈদের আগেই রঙিণ ঘরগুলো হস্তান্তর করার মাধ্যমে আনন্দের নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ঘর নির্মাণ ও উপকারভোগীদের নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগের সাথে উপজেলার যারা সংশ্লিষ্ট তারা যার যার অবস্থান থেকে ভুমিকা রেখেছেন।

তৃতীয় পর্যায়ের পথম ধাপে বর্নাল ইউনিয়নে ৪জন, গোমতি ইউনিয়নে ৫জন, তাইন্দং ইউনিয়নে ৪জন, তবলছড়ি ইউনিয়নে ৭জন, বেলছড়ি ইউনিয়নে ৪জন, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নে ৬জন, আমতলী ইউনিয়নে ৫জন ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় ১৫ জনসহ ৫০ জনকে দুই শতক জমিসহ দুই কক্ষের সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ তৃলা দেব বলেন, তৃতীয় পর্যায়ে আরো ২৩৫টি ঘরের কাজ চলমান রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eleven + 20 =

আরও পড়ুন