রাঙামাটি আসনে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ৭ প্রার্থী


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭ প্রার্থী নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ পান। এসময় ৬ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা উপস্থিত থাকলেও গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন না।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী এসব প্রতীক বরাদ্দ ঘোষণা দেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা নিয়ে প্রার্থীদের ব্রিফিং দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন। এসময় পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমীন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা (ফুটবল), জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার (লাঙ্গল), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা (কোদাল), বিএনপির অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক (রিকশা), গণঅধিকার পরিষদের মো. আবুল বাশার (ট্রাক মার্কা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মো. জসিম উদ্দীন (হাতপাখা) প্রতীক বরাদ্দ পেলেন।
এসময় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকতা মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ১টি কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে ১ জন করে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া যাবে। প্রার্থীরা মাইকিং প্রচারণা চালাতে পারবেন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়।
শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী বলেন, একই স্থানে একাধিক দলের সমাবেশ করা যাবে না। নির্বাচনের পরবর্তীতে যে ব্যানার ফেস্টুন করবেন সেগুলো নিজ দায়িত্বে সরিয়ে ফেলার জন্য প্রার্থীদের নির্দেশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, রাঙামাটির ১০টি উপজেলার মধ্যে দুটি পৌরসভা ও ৫০টি ইউনিয়ন মিলে মোট ভোট কেন্দ্র ২১৩টি। এসব কেন্দ্রের মধ্যে হেলিসর্টি কেন্দ্র ২০টি। জেলায় মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪১০, নারী ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৫।
















