সড়কে শব্দদূষণ, জরিমানা চায় ভুক্তভোগীরা ও সচেতনতা চায় পরিবেশ অধিদপ্তর


রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কের শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর। তাদের চলমান এই বিশেষ প্রচারাভিযানের গতকাল বুধবার ছিল অষ্টম দিন। আরও দুদিন চলবে এই কর্মসূচি। এতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের সদস্য এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প এবং গ্রিন ভয়েসের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি চলছে।
গতকাল সকালে রাজধানীর বিজয় সরণি মোড়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, আইন প্রয়োগ ও জরিমানার ক্ষমতা থাকলেও আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষকে সচেতন করা। কারণ শুধু শাস্তি দিয়ে নয়, আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দদূষণ কমানো সম্ভব।
মহাপরিচালক বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালায় পুলিশকে সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর শুরুতেই শাস্তিমূলক পদক্ষেপে যেতে চায় না। সবাই যদি নিজের জায়গা থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করে, তাহলে শব্দদূষণ অনেকাংশেই কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলের ওপরে চলে যাচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের শ্রবণশক্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শুধু শ্রবণশক্তিই নয়; অতিরিক্ত শব্দের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, মানসিক অস্থিরতা, হৃদরোগসহ নানা জটিলতা বাড়ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের ট্রেনিং অ্যান্ড ক্যাম্পেইন স্পেশালিস্ট গাজী মহিবুর রহমান বলেন, রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিমানবন্দর, সচিবালয়, আগারগাঁওসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
















