সাংগু নদীতে ডুবে ৯ম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ

fec-image

বান্দরবানের থানচিতে সাংগু নদীতে ডুবে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে । নিখোঁজ ছাত্র রুমা উপজেলা গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে আদিগা পাড়ায় সুমন ত্রিপুরা এর ছেলে অজয় ত্রিপুরা (১৫)। সে সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স জুনিয়র হাই স্কুলে ৯ম শ্রেণির ছাত্র।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে সাংগু নদীতে মাছ ধরার জাল নিয়ে এপার ওপার পার করার সময় নদীতে ডুবে যায়।

এলাকাবাসী ও স্কুলের শিক্ষকরা অনেক খোঁজাখোঁজি পর তার মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি । বলিপাড়া নিবেদিতা কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লীতে পালপুরোহিত ফাদার হরি মাকারিও বাসায় থাকতেন।

বলিপাড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার অংসিংম্যা মারমা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ক্যসাউ মারমা জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি দিলেও দুই একজন ছাত্রকে প্রতিষ্ঠানটি ছুটি দেয়া হয়নি। তাদেরকে ফাদারের বাসায় রান্না কাজে রাখতেন । শুক্রবার মোট ৪জন ছাত্র সাংগু নদীতে জাল নিয়ে মাছ ধরতে যায়। ওই সময় নদীতে সাঁতার কেটে পার হতে গেলে অজয় ত্রিপুরা সাংগু নদীতে ডুবে যায় ।

বলিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা জানান, শিক্ষার্থীকে ছুটি না দিয়ে প্রতিষ্ঠানে রাখা ঠিক নয় । বাড়ীতে বাবা-মায়ের সাথে থাকলে এ ঘটনা ঘটতনা আমরা এই ঘটনার জন্য মর্মাহত।

বলিপাড়া নিবেদিতা কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লী পাশ্বে বাসিমোরগপাড়া কারবারী বারনা ত্রিপুরা জানান, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স জুনিয়র হাই স্কুল হলেও সেখানে গরীব ছাত্র-ছাত্রীরা ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো সুযোগ সুবিধা রয়েছে ।

বলিপাড়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল গনি জানান, কাগজে কলমে আমাদের স্কুলে ভর্তি কিন্তু বাস্তবে সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স জুনিয়র হাই স্কুল ছাত্র সে। নিবেদিতা কুমারী মারিয়া ধর্মপল্ল তে সিস্টার পুস্পকর্তা হেফাজতে থাকেন। তবে আমাদের স্কুল করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিগত ১৭ মার্চ থেকে স্কুলের সকল শিক্ষার্থী ছুটিতে আছে।

নিবেদিতা কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লী পালপুরোহিত ফাদার হরি মাকারিও মুঠোফোনে  অনেকবার কল করা হলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়ার সম্ভব হয়নি।

থানচি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুরউদ্দিন আনোয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সাংগু নদীতে ছাত্র ডুবে নিখোঁজ খবর পেয়েছি । তার অভিভাবকরা থানায় অভিযোগ করলে আইননানু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × four =

আরও পড়ুন