ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য : পার্বত্য উপদেষ্টা


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, বাংলাদেশ এক অপরূপ বৈচিত্র্যের দেশ। জাতিগত ও ধর্মীয় এই বৈচিত্র্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বর্তমান নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিকামী, সত্যনিষ্ঠ এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে যেখানে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডস্থ অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপস্থিত সকলকে স্বরস্বতী পূঁজা উৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই দেশ আমাদের সবার। কেউ এককভাবে বা নিজের খেয়াল খুশিমতো দেশের ক্ষতি করতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশে একটি গুণগত পরিবর্তন আনতে চান। আমরা এমন এক দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি যেখানে ধর্মনিরপেক্ষতা, জনগণের সাথে জনগণের সুসম্পর্ক এবং সামাজিক সংহতি বজায় থাকবে।
তিনি বলেন, আমাদের সরকারের লক্ষ্য হলো একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারত ও নেপালসহ এই গোটা অঞ্চল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম. খালিদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী এবং নেপালি দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর মি. দাওয়া ছেরিং।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উৎসবের আমেজ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং উপস্থিত সকল বিদেশি কূটনীতিক ও অতিথিবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

















