কক্সবাজারে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ যুবককে আটক
আবদুল্লাহ নয়ন, কক্সবাজার:
কক্সবাজার শহরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ ৩ যুবককে আটকের ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পক্ষে দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টায় আটক হওয়া যুবকের স্বীকারোক্তি মতে রাত দেড় টায় ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩টি বন্দুকের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
কিন্তু আটক এক যুবকের পরিবারের দাবি ডিবি পুলিশে এ অভিযানটি সাজানো। একটি সন্ত্রাসী চক্র পর পর ২ ভাইকে হত্যা করার পর ডিবি পুলিশকে ম্যানেজ করে এদের আটক করায়। এর পর সন্ত্রাসীদের সরবরাহ করা অস্ত্র উদ্ধার দেখানো হচ্ছে।
আটকরা হল, কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার মৃত আবুল হাশেমের পুত্র সালাউদ্দিন (৩০), মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র সরোয়ার কামাল (২৪) ও কক্সবাজারের বাংলাবাজার এলাকার মোঃ হাবিবুল্লাহ‘র পুত্র নুরুল হাদি মোঃ এরশাদ (২৫)।
কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মনজুর আলম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ডিবি’র এএসআই মোঃ মাসুদ করিম এর নেতৃত্বে একটি দল কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী সাকিনের ফুটবল খেলার মাঠ এলাকা থেকে সন্দেহজনক ভাবে অবস্থান করা কালে আটক করা হয়। এর পর জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেয়া তথ্য মতে রাত দেড় টার দিকে ওই খেলার মাঠের পূর্ব দক্ষিন কোনের নালায় মাটির নীচ থেকে ১ টি দেশীয় তৈরী এলজি, ১টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক ও ৩টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে অস্ত্র আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কিন্তু আটক সালাউদ্দিনের মা আম্বিয়া খাতুন জানিয়েছেন, পারিবারিক শক্রতার জের ধরে তার ২ পুত্র আলা উদ্দিন এবং জসীম উদ্দিনকে এক বছরের মধ্যে হত্যা করেছে একটি সন্ত্রাসী চক্র। এ চক্রটির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তারা বেকায়দায় রয়েছে। এর জের ধরে ওই সন্ত্রাসী চক্রটি পরিকল্পিতভাবে তার পুত্র সালা উদ্দিনকে ধরিয়ে দিয়েছে। এ অভিযানে দেখানো অস্ত্র সন্ত্রাসীদের সরবরাহ করা।
তিনি জানান, সালা উদ্দিনকে আটকের পর ওই সন্ত্রাসীরা ডিবি অফিসে রাত আড়াই পর্যন্ত ঘুরা-ফেরা করতে দেখা গেছে।

















