ঘূর্ণিঝড় রেমাল

কক্সবাজারে ঢেউয়ের আঘাতে উপড়ে পড়ছে গাছ, বাঁধ ভেঙে প্লাবন

fec-image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উত্তাল সাগর। বাতাসের গতিবেগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে বৃষ্টিপাতও। আর ঢেউয়ের আঘাতে ঝাউগাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। এরই মধ্যে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে গাছ উপড়ে পড়ে ঘন্টাব্যাপী যান চলাচল বন্ধ ছিল।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করবে বিকেলে। এরইমধ্য এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জোয়ারের পানি ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা ৬টার দিকে কক্সবাজার জেলা অতিক্রম করবে।’

এদিকে, দুপুরের পর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বীপের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। আর সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।

সৈকতে জেলা প্রশাসনের নিয়োজিত বিচকর্মী, ফায়ার সার্ভিস ও লাইফ গার্ড কর্মীরা পর্যটকদের সতর্ক করে মাইকিং করেছে। এবং সৈকতে পর্যটকদের গোসল করতে নিষেধ করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার বিমানবন্দরে সকাল থেকে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে বেশ কয়েকটি পয়েন্টে গাছ ভেঙে পড়ায় ঘন্টাব্যাপী যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে গাছগুলো কেটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, জেলার কুতুবদিয়া মহেশখালী মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরসহ উপকূল ও নিম্নাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার জন্য স্বেচ্ছাসেবকরা মাইকিং করছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কক্সবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ লক্ষে কক্সবাজার জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে এক জরুরি সভা করেছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন