খাগড়াছড়িতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও সহিংসতার ঘটনায় ৩টি মামলা


খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সহিংসতার ঘটনায় ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়। প্রতিটি মামলাতেই অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খাগড়াছড়ি সদরে বেআইনি জনতাবদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে সহিংসতার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আনুমানিক ৭০০ থেকে ৮০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে ১ অক্টোবর একটি মামলা রুজু হয়েছে।
গুইমারা উপজেলায় ২৮ সেপ্টেম্বর ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঘটানো সহিংসতায় ৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ১ অক্টোবর ২০২৫ একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। নিহতদের পরিবার মামলা করতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে উক্ত মামলা রুজু করে।
একই তারিখে গুইমারায় সরকারি কাজে বাধা দান, সরকারি কর্মচারীদের আহত করা, ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ২৫০ থেকে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা রুজু করে বলে জানা যায়।
এদিকে শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে আটক শয়ন শীলকে ৬ দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়। খাগড়াছড়ি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে এবং ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার হাটের দিনে সকাল থেকে বাজারে পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের লোকজন স্বাভাবিকভাবে আসতে শুরু করেছে। খাগড়াছড়ির সব সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে, দোকানপাটও খোলা হয়েছে। পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

















