গর্জনিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুতে যান চলাচল, ঘটছে দুর্ঘটনা


গর্জনিয়া বেইলি ব্রিজের পাটাতন দেবে গিয়ে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা। ব্রিজের স্টিলের পাটাতন ভেঙে গিয়ে নিচের দিকে দেবে যাওয়ায় ১ বছরে ১২০ জন পথচারীর আহত হয়েছেন। গবাদি প্রাণী আহত হয়েছে ৩০ টি। ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ভাঙ্গা অংশে চাকা আটকে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে মাসের পর মাস।
এই দুরবস্থা রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৪ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র সড়ক কক্সবাজারের রামু-বান্দরবানের ও নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া বাজার সড়কের জামছড়ি খালের উপর ওপর নির্মিত বেইলি সেতু।
স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির এমন অবস্থা হয়েছে। উপজেলার হাট-বাজার ও সীমান্তের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্যে সেতুটির গুরুত্ব অত্যধিক। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া ও ব্যবসার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ সেতুটি দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না এখনও। এমন দুরবস্থা পতিত হওয়ার পরও এলজিইডির পক্ষ থেকে সেতুটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়নি।
ভারি মালবাহী ট্রাকসহ সকল ধরনের ভারি যানবাহন চলাচল করছে দেবে যাওয়া ব্রিজ দিয়ে। কক্সবাজার ও বান্দরবানের দক্ষিণ পূর্বাংশের সীমান্ত-বাসীর একমাত্র বড় সাপ্তাহিক হাট-বাজার এ গর্জনিয়া বাজারে অন্তত ২০ হাজার মানুষ ক্রয়-বিক্রয় করতে আসে ঝুঁকিপূর্ণ এ বেইলি ব্রিজটি ব্যবহার করে।
বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারী আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি অফিসের নির্দেশে বিদ্যুতের কাজ সেরে আসার পথে গর্জনিয়া বেইলি ব্রিজের ভাঙ্গা পাটাতনে পা ঢুকে গুরুতর আহত হয়। তিনি এখনো বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রামু উপজেলা প্রকৌশলী মঞ্জুর হাসান চৌধুরি বলেন, ব্রিজটি সংস্কারের কোনো বরাদ্দ এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নেই।
তবে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সড়ক প্রশস্ত-করণ ও শক্তিশালী-করণ প্রকল্পের পরিচালক তাকে জানিয়েছেন, বাজার প্রশস্ত-করণের কাজ শেষে এ ব্রিজের কাজ করা হবে।

















