পাহাড়ি ফল রপ্তানির উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব রাখলেন মাধবী মারমা এমপি


সরকারের পক্ষ থেকে বা পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাহাড়ি ফল দেশের বাইরে রপ্তানি করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রস্তাব রাখলেন এ্যাডভোকেট মাধবী মারমা এমপি।
তিনি বলেন, পাহাড়ি যে ফল আছে, সেগুলো অন্যান্য এলাকার তুলনায় স্বাদে ভিন্ন। এখানে অনেক সময় আমরা ফরমালিনযুক্ত ফল খেতে আমরা ভয় পাই, সেক্ষেত্রে পাহাড়ে যে বাগানিরা আছে, তারা এই ফরমালিনের ব্যবহারটা তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহার করে বলে আমি মনে করি। সরকারি ভাবে আমাদের উদ্যোগ নেয়া উচিৎ যে ফলের যে বাগান আছে, বাগানীরা আছে, কৃষকরা আছে, তাদেরকে ফরমালিনের মাত্রাটা কতটুকু ব্যবহার করা যাবে সেটার জন্য একটি প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করা দরকার।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পাহাড়ি ফল মেলা শুরু হয়েছে। ‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’-প্রতিপাদ্যে তিন দিনব্যাপী এই মেলার সূচনা হয়েছে শনিবার থেকে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত মেলাটি চলবে সোমবার পর্যন্ত।
সকাল ১০টায় মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মাধবী মারমা ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
পাহাড়ের বুক থেকে বয়ে আসা অর্গানিক ফলের সুমিষ্ট স্বাদ, অনন্য কৃষিজ ঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্যময় পাহাড়ি সংস্কৃতিকে সমতলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন।
এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলার মোট ৩০টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে সাজানো হয়েছে পাহাড়ের সুস্বাদু মৌসুমী ফল- আম, আনারস, কাঁঠাল, কলা থেকে শুরু করে দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনো বেলের মতো বাহারি ফলের সমাহার।
















