পুশইন ঠেকাতে নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান


নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ১৭জন নারী-পুরুষকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্তের অদূরে ২৩৭নং মেইন পিলার এলাকার চকচকির বিল দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় তারা শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন। আর উভয় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে উভয় দেশের বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকে তারা বলেছেন, বিএসএফ সদস্যরা ওই নারী-পুরুষদের বাংলাদেশে পুশইন করেনি। আর বিজিবি বলছেন, অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এক কথায় বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।
নওগাঁ ১৬ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ওইদিন গভীর রাতে ভারতীয় বিএসএফ জোয়ানরা তাদের দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করে সাপাহার সীমান্তের ওই এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠিয়ে দেয়। রাতেই তারা বোরো ধান ক্ষেতের মধ্য দিয় প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে শুক্রবার ভোরে সাপাহারের কলমুডাঙ্গা চৌমহোনী এলাকায় বাজারে এসে বিশ্রাম নেয়। ভোরে এলাকার লোকজন তাদের দেখে পুশইনের ঘটনা শুনে স্থানীয় কলমুডাঙ্গা বিওপি ক্যাম্পে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাথে সাথে তাদের পুশব্যাক করার উদ্দেশে ২৩৭ পিলার এলাকায় নিয়ে যায়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবি ও ভারতের পক্ষে বিএসএফ সদস্যরা মুখোমুখি অবস্থান করছেন এবং জিরোল্যান্ডে পুশইনের শিকার শিশুসহ ১০জন নারী ও ৭জন পুরুষ অপেক্ষায় রয়েছে।
নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, শুক্রবার রাতে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পতাকা বৈঠকে তারা বলেছেন আমরা কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করিনি। বিজিবির এই অধিনায়ক বলছেন, অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমাদের কথা একটাই।

















