বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখ ঘরোয়াভাবে পালনের আহ্বান কংজরী চৌধুরীর


ঘরোয়াভাবে বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং চৌধুরীর মাধ্যমে প্রেরিত এক বার্তায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ আহ্বান জানান।
প্রেরিত বার্তায় তিনি বলেন, প্রতি বছর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসু-সাংগ্রাইং-বিজু (বৈসাবি) ও পহেলা বৈশাখ পালন করা হয়। কিন্তু এবারের চিত্র আলাদা। সারাবিশ্বে এখন করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশেও এটা ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তার রোধকল্পে জনসমাগম পরিহার করার লক্ষে আসন্ন পাহাড়ের প্রাণের উৎসব বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখের সকল ধরনের অনুষ্ঠান/কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সরকার নির্দেশ দিয়েছে ।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য পরিষদও এবারে বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখ সংক্রান্ত তার সকল বর্ণাঢ্য আয়োজন জনস্বার্থে স্থগিত রেখেছে। এই অবস্থায়, প্রাণঘাতি কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে জনসমাগম পরিহার করার লক্ষে বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখের সকল ধরনের অনুষ্ঠান/কার্যক্রম স্থগিত রেখে সকলকে শুধুমাত্র নিজ পরিবারের সদস্য নিয়ে ঘরোয়াভাবে বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। কোন উৎসব পালনে জনসমাগম হয় তেমন কিছু করা উচিত হবে না।
তিনি বলেন, যতদিন না আমরা সবাই এই পরিস্থিতি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হচ্ছি, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশ ও জাতির স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৩১ দফা নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করি। সরকার ঘোষিত সকল নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পূর্ণভাবে মেনে চলি। আশা রাখি, সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় ও সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি আমরা দ্রুত কাটিয়ে উঠব।

















