মানিকছড়ির পাইসানু মারমা ধর্ষণ ঘটনা নিয়ে আবার উত্তপ্ত খাগড়াছড়ি
পার্বত্যনিউজ রিপোর্ট:
মানিকছড়ি উপজেলার বাকনাতলি ইউনিয়নের বাসিন্দা কুনজুরী মারমা মেয়ে প্যাইসানু মারমা(১৯) গতকাল তার ব্যাক্তিগত কাজে খাগড়াছড়ি গেলে খাগড়াছড়ি থেকে ফেরার পথে দুপুর সাড়ে ১২টার থেকে মানিকছড়ির গবামারা এলাকায় বাসের হেলপার তাকে বাস থেকে নামিয়ে দেয়। বাসের ভাড়া নিয়ে তর্কবিতর্ক হওয়ায় বাসের হেলপার শহর থেকে কিছুটা দুরে তাকে নামিয়ে দেয়। পরে সেখানে ভাড়ায় চালিত মোটর
সাইকেল চালক শহীদুল ইসলামের সাথে ২শত টাকায় ভাড়া ঠিক করে মোটর সাইকেলযোগে ওই তরুণী বাড়ি ফিরছিল। কিছুদূর যাওয়ার পর গাড়ী নষ্ট হওয়ার অজুহাতে শহীদুল ইসলাম মোবাইলে আরো দুই আরো দুই মটর সাইকেল চালককে ডেকে নিয়ে আসে। এরপর তারা ওই তরুণীকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে পিষ্টতলা নামক স্থানে পৌঁছে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ধস্তা-ধস্তির এক পযায়ে ওই তরুণী পালিয়ে এসে প্রধান সড়কস্থ দোকানে ঘটনাটি খুঁলে বললে ইউপি চেয়ারম্যান
মোঃ আবুল কালাম দ্রুত লোক পাঠিয়ে উক্ত যুবকদের ধরে ফেলে।
ধর্ষণকারী ওই তিন যুবক হলো-শামসুল হকের ছেলে মোটর সাইকেল চালক শহীদুল ইসলাম(২৫), সোহারাব হাওলাদারের ছেলে মোঃ মাহবুব আলম(২৭) ও ফজলুর ফরাজী ছেলে বিলাল হোসেন(২৪)।
আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা আঁড়াল করতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান আটকদের পুলিশে কাছে সোর্পদ করে।
পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি-চট্রগ্রাম সড়কের ধর্মঘর এলাকায় বিক্ষুদ্ধ পাহাড়ী যুবকরা পৌনে ৫টা থেকে সোয়া ৫টা পর্যন্ত সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করলে পুলিশ ও পাহাড়ি নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে ছুঁটে আসে। সন্দেহভাজন
যুবকদের আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে আশস্থ করলে তারা ব্যারিকেড উঠিয়ে নেন।
এ ব্যাপারে মানিকছড়ির থানার ওসি কেশব চন্দ্র জানান, যেহেতু অভিযুক্ত আসামীরা গ্রেফতার আছে। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। অভিযুক্ত মেয়ের মেডিক্যাল চেকআপের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরে বিভিন্ন উপজাতীয় সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে।



















