মিয়ানমারে ৭৪২ বস্তা ইউরিয়া সার পাচারকালে আটক ১১


মািয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাগর পথে পাচারকালে বিপুল পরিমান ইউরিয়া সারসহ ১১ জন পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
তারা হলেন, কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেন্টমার্টিনের ছেড়াদ্বীপ হতে ৪ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে গত ৭ মে মধ্যরাত ৪ টায় কোস্টগার্ড জাহাজ বিসিজিএস মনসুর আলী একটি ইঞ্জিন চালিত সন্দেহজনক কাঠের বোট দেখতে পায়।
বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকায় উক্ত এলাকায় বোট থাকা বেআইনি। ফলে কোস্টগার্ড সদস্যদের সন্দেহ হলে জাহাজ বিসিজিএস মনসুর আলী কর্তৃক বোটটিকে থামার সংকেত প্রদান করলে বোটটি সংকেত অমান্য করে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে বোটটিকে আটক করে তল্লাশি করে অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পাচারকালে ৭৪২ বস্তা ইউরিয়া সারসহ ১১ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
এসময় পাচারকাজে ব্যবহৃত বোটটিও জব্দ করাহয়।জব্দকৃত সার টেকনাফ কাস্টমস এ এবং আটককৃত পাচারকারী ও পাচার কাজে ব্যবহৃত বোট টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও চোরাচালানরোধ অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। চোরাচালান রোধকল্পে কোস্ট গার্ড কর্তৃক ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সীমান্ত দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন জাতের ভোগ্যপন্যসহ কাঁচা তরকারি, জ্বালানি তেল পাচার করছে অসাধু পাচারকারী। অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা।
এসব কঠোর ভাবে দমন করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে টেকনাফ সীমান্তে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর উপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

















