শিক্ষার্থীদের যেসব সংকট ও ভোগান্তি দূর করতে চান সাদিক কায়েম


ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, নারী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিয়ে আমাদের প্রস্তাবনা রয়েছে। ৪৭ শতাংশ নারী শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র পাঁচটি হল। আমরা ছাত্রী আবাসন সংকট দূর করতে চাই। এবারের ডাকসুতে রাজনৈতিক বলয়ের বাইরেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতির হাল ধরার জন্য জুলাই প্রজন্মের এগিয়ে আসার জরুরত বিবেচনায় এটি নিঃসন্দেহে অনেক বেশি আশাব্যঞ্জক। কিন্তু, দুঃখজনকভাবে রাজনীতি কিংবা রাজনীতির বাইরে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি।
তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের সফলতার অন্যতম কারিগর আমাদের ছাত্রী বোনেরা। তাদের সাহসী অবদান ও দুর্নিবার নেতৃত্ব আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছে। কিন্তু পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটেও রাজনীতি কিংবা রাজনীতির বাইরে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি। অব্যাহত কটূক্তি, প্রোপাগান্ডা, বিদ্বেষমূলক প্রচার, সাইবার বুলিং ও ট্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুরো পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউট হয়ে গেছে। আমরা একাডেমিক ইনস্টিটিউটের দিকে যেতে চাই। একাডেমিক এক্সিলেন্স নিশ্চিত করতে চাই। গবেষণার বাজেট বাড়ানো, রেজিস্ট্রার ভবনের ডিজিটালাইজেশন, ডে কেয়ার সিস্টেম, পরিবহন সংকটের পার্মানেন্ট সমাধান নিয়ে প্রস্তাবনা আছে।
তিনি বলেন, আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম অথবা আমার মতো যারা আজকে এখানে আছি, সবাই অনেক ভালো ভালো স্বপ্ন নিয়ে এসেছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় সেই স্বপ্নগুলো আর পূরণ হয় না। স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। রাজনীতির নামে অপরাজনীতির কারণে শিক্ষার্থীদের এক ধরণের বিমূখতা তৈরি হয়। শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে হবে। আজকে যে লাইব্রেরি গুলো আছে খুবই ভঙ্গুর অবস্থা, এগুলোর আধুনিকায়ন করব। বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে শুরু করে আমাদের সায়েন্স ফ্যাকাল্টির যে লাইব্রেরিগুলো আছে সেইগুলো সহ সকল লাইব্রেরি ই-লাইব্রেরির আওতায় নিয়ে আসব।

















